নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে বিএনপি প্রার্থী আবুল কালাম মাত্র ১৩ হাজার ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন। শহর-বন্দরে বিএনপি কাঙ্ক্ষিত ভোট বঞ্চিত হয়েছেন আবুল কালাম এমন দাবি করেছেন তার অনুসারীরা। বিএনপি স্থানীয় পর্যায়ে নেতারাও প্রতিদ্বন্দ্বী পক্ষে ভোট দেয়ার অভিযোগ উঠেছে শীর্ষ পর্যায়ে নেতাদের মুখে।
এবার মুখ খুলেছেন নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপি সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট আবু আল ইউসুফ খান টিপু ফেসবুকে লিখেছেন।
তিনি তার ফেসবুকে লিখেছেন : যারা ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকার বিরোধী আন্দোলনের পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করে নাই, বহু আকাঙ্ক্ষিত ভোটের অধিকার জাতীয় সংসদ নির্বাচন-২০২৬ইং সনের গত ১২ফেব্রুয়ারী অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাচনের পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করেন নাই এবং যারা জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিজের আসনে, নিজের এলাকায়, নিজের ভোট কেন্দ্রে নিজে দায়িত্ব নেওয়ার পরও ধানের শীষের মার্কার প্রার্থী আবুল কালাম ভাইকে জয়ী করাতে পারে নাই এবং আন্ডার গ্রাউন্ডে আবুল কালাম ভাইকে পরাজিত করার জন্য ষড়যন্ত্রে লিপ্ত, অর্থাৎ তাদের পরীক্ষার ফলাফল শূন্য, তারা কোন মুখে ও কোন চেহারা এবং কোন অধিকারে সিটি কর্পোরেশনের মেয়র মনোনয়ন চায়, তাদের লজ্জা হয় না? যাদের রাজনৈতিক পরীক্ষায় ফলাফল শূন্য এবং যারা এখনো দলের ও দলের নেতাকর্মীদের হতে পারে নাই, তাদেরকে দল কেন, যে কোন পর্যায়ে মনোনয়ন দিবে বা দল মূল্যায়ন করবে? আশা করি দল সঠিক ভাবে মূল্যায়ন করে, যে দলের ও কর্মীদের যে কোন পর্যায়ে ও যে কোন স্থানে ধরে রাখতে পারবে এবং গত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এমপি প্রার্থীর পক্ষে অক্লান্ত পরিশ্রম করে বিজয়ী করার জন্য মূখ্য ভূমিকা রেখেছে, তাকেই সিটি কর্পোরেশনের মেয়র মনোনয়ন দেওয়া উচিত। ইনশাআল্লাহ, তাই হবেই হবে।
একাধিক সূত্রে জানা গেছে, নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র পদপ্রার্থী হওয়ার গুঞ্জন উঠেছে জেলা বিএনপি আহবায়ক মামুন মাহমুদ, যুগ্ম আহবায়ক মাসুকুল ইসলাম রাজীব, মহানগর বিএনপি আহবায়ক সাখাওয়াত হোসেন খান, সদস্য সচিব আবু আল ইউসুফ খান টিপু, সাবেক সাধারণ সম্পাদক এটিএম কামাল, শিল্পপতি মাসুদুজ্জামান মাসুদ ও সাবেক কাউন্সিলর মাকছুদুল আলম খন্দকার খোরশেদ।


































আপনার মতামত লিখুন :