হেফাজতে ইসলামের নায়েবে আমীর ও ডিআইটি রেলকলোনী কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের খতিব আল্লামা আব্দুল আউয়াল বলেছেন, সময় আসবে তাদেরকে জুতা দিয়ে পিটিয়ে সোজা করে দিবে মানুষ। এজন্য আমার ফাঁসি হতে পারে গুলি করে হত্যা করতে পারে। জামায়াতে ইসলামের আকীদা সাথে কোনোদিন আমাদের আকীদা মিলে নাই মিলবেও না। তারা যা মনে চায় তাই করুক। রাষ্ট্র চালানো এক জিনিস আকীদা ভিন্ন জিনিস।
শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) জুমআর নামাজের খুতবার বয়ানে তিনি এসব কথা বলেন। আল্লামা আব্দুল আউয়াল বলেন, আমাকে মুসলমান হিসেবে দুনিয়া থেকে বিদায় নিতে হবে। চাই তুমি আমাকে হত্যা করে ফেলো কোনো আপত্তি নাই। আমি রাসূল ও সাহাবাদের আদর্শের উপড় বেঁচে থাকতে চাই। আহলে সুন্নাহ ওয়াল জামায়াতের বিরোধীতা যারা করবে তাদের সাথে আমাদের কোনো সম্পর্ক নেই।
তিনি আরও বলেন, আমার এই মিম্বল দখল করার জন্য পাঁয়তারা হয়েছিলো অসুবিধা নেই এখন বললে তখন চলে যাবো। অন্যায়ভাবে এই মিম্বর দখল করে নিবা তুমার ক্ষমতার মসনদে বসার দু:সাহস দেখিয়ে। তাদেরকে মাশুল দিতে হবে। তারা আমাদেরকে কোনপথে নিয়ে গেছে। তাদের এত সুনাম ছিলো। তারা আমাদের কোথায় নিয়ে গেলো? এই সমাজের ছাত্রদের ওলামায়ে কেরামদের ভিন্ন রাস্তা দেখিয়ে গেলো তারা। এটার মাশুল তাদের দিতে হবে।
চরমোনাই আর মামুনুল হককে দায় নিতে হবে উল্লেখ করে আব্দুল আউয়াল বলেন, আমাদের মধ্যে কিছু কিছু যারা আমাদের হয়েও আকীদাকে নষ্টের পথে নিয়ে গেছে। তাদেরকেও মাশুল দিতে হবে। কওমী ছাত্রদেরকে নষ্ট করা হচ্ছে। কওমী ছাত্ররা তাদের বাজে মতবাদের স্লোগান দেয়। তাদেরকে নিয়ন্ত্রণ রাখা কঠিন হয়ে যাচ্ছে। চরমোনাই আর মামুনুল হক তারা দুইজনই তাদের সাহস বেশি বাড়িয়েছে। তুমরা যদি তাদের সাথে আঁতাত না করতে এত সাহস তারা পাইতো না। যদিও চরমোনাই বেড়িয়ে আসছেন কিন্তু সাহস আপনারা দিয়ে আসছেন। আপনারা একসাথে কাধে কাধ মিলিয়ে মানুষকে একসাধে ডাকছিলেন। এখন চলে আসলেও আপনাদের দায়ভার নিতে হবে।
তিনি আরও বলেন, আকীদার ব্যাপারে কোনো অবস্থাতেই ছাড় দেয়া হবে না। আকীদা কঠিন মাসআলা। আমরা সারাজীবন পরিস্কার বলে আসছি জামায়াতে ইসলামের সাথে আমাদের আকীদার কঠিন ব্যবধান হয়ে গেছে। কোনোদিন এটা সমাধান পারি নাই। আপনারা মওদুদীবাদ ছাড়েন। এই মওদুদীবাদের সাথে যারা তাল মিলিয়ে আসছিলেন আল্লাহ সবগুলোকে নাকাল করছে। এতবড় কথা বলছিলা কোথায় তুমরা?






































আপনার মতামত লিখুন :