নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান এর সাথে এলাকার উন্নয়নের বিষয়ে একটি মত বিনিময় করেছেন মহানগর বিএনপি নেতা কে.এম মাজহারুল ইসলাম জোসেফ যেটি স্থানীয় গণমাধ্যমে মহানগর যুবদলের সাথে নাসিক প্রশাসকের মতবিনিময় সভা বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার ২ এপ্রিল মহানগর ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠাকালীন সভাপতি এবং মহানগর যুবদল নেতা মাজহারুল ইসলাম জোসেফের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নাসিক প্রশাসক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান।
ওই সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন জুয়েল প্রধান, আমির হোসেন, আক্তার”জ্জামান মৃধা, আলী নওষাদ তুষার, মিজান, নূর আলম খন্দকার, বাপ্পি শিকদার, সুমন, সোহেল, ওসমান, হাজী সাঈদ, শাহীন ঢালী, মিন্টু, আলমামুন, আলফু প্রধান, ফয়সাল, ইব্রাহিম বাবু, মঈনুল, জসিম ব্যাপারী, হারুন ও কাজল প্রমুখ।
তবে ওই মত বিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন না মহানগর যুবদলের আহ্বায়ক মনিরুল ইসলাম সজল, ও সদস্য সচিব শাহেদ আহম্মেদ কেউ উপস্থিত ছিলেন না। এতে করে ওই মতবিনিময় সভাটি মহানগর যুবদলের সাথে মতবিনিময় হিসেবে প্রশ্ন বিদ্ধ করেছে। ইতোমধ্যে যা নিয়ে সমালোচনাও তৈরি হয়েছে।
এ ব্যাপারে মহানগর যুবদলের আহ্বায়ক মনির”ল ইসলাম সজল জানান, বৃহস্পতিবার ২ এপ্রিল নাসিক প্রশাসক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান এর সাথে মহানগর যুবদলের কোন মতবিনিময় সভায় হয়নি। যদি কেউ এটাকে মহানগর যুবদলের সাথে মতবিনিময় সভা বলে থাকেন তাহলে তিনি মহানগর যুবদলের নাম বিক্রি করছেন। এ ব্যাপারে কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দরা আরো বিস্তারিত বলতে পারবেন।
এ ব্যাপারে যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির দপ্তর সম্পাদক নুরুল ইসলাম সোহেল বলেন, নারায়ণগঞ্জ মহানগরে মনিরুল ইসলাম সজলকে আহ্বায়ক ও শাহেদ আহম্মেদকে সদস্য সচিব করে আহ্বায়ক কমিটি দেয়া হয়েছে। এরপর কমিটি ৫১ সদস্য বিশিষ্ট করা হয়েছে। ওই ৫১ কমিটিতে নাম না থাকা কেউ যুবদলের নাম ব্যবহার করে গুরুত্বপূর্ন কোন ব্যক্তির সাথে কোন মিটিং করতে পারবে না। যদি কেউ এমনটা করে থাকে তাহলে অবশ্যই তিনি যুবদলের নাম বিক্রি করছেন। এ ব্যাপারে যদি নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক এবং সদস্য সচিব কেন্দ্রীয় সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদকের সাথে লিখিত ভাবে অভিযোগ দেন তাহলে আমরা এ ব্যাপারে কেন্দ্রীয় ভাবে ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।






































আপনার মতামত লিখুন :