News Narayanganj
Bongosoft Ltd.
ঢাকা রবিবার, ০৫ এপ্রিল, ২০২৬, ২১ চৈত্র ১৪৩২

টিকটকের প্রেমের ফাঁদে নারায়ণগঞ্জে কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ


দ্যা নিউজ নারায়ণগঞ্জ ডটকম | স্টাফ রিপোর্টার প্রকাশিত: এপ্রিল ৪, ২০২৬, ০৮:৫৩ পিএম টিকটকের প্রেমের ফাঁদে নারায়ণগঞ্জে কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ

টিকটকে প্রেমের ফাঁদে পড়ে চাঁদপুর থেকে নারায়ণগঞ্জের বন্দরে বেড়াতে আসা কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় জড়িত প্রধান ২ জন আসামি রিফাত ও রোমান'কে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব-১১ এর একটি টিম। শুক্রবার ৩ এপ্রিল সন্ধ্যা ৬ টার দিকে সিদ্ধিরগঞ্জ থানাধীন আজিবপুর মাজার রোড এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত এজাহারনামীয় ১নং আসামি মো. রিফাত (২১) কদম রসুল ওরফে রসুলবাগ, জি.এ রোড এলাকার গাজী মিয়ার পুত্র এবং ২ নং আসামি মো. নোমান (২১) বন্দর বাগবাড়ি এলাকার জাহিদ হোসেনের পুত্র।

এজাহার সূত্রে জানা যায়, ভিকটিম ১৪ বছরের নাবালিকা। টিকটক আইডির মাধ্যমে গ্রেফতারকৃত ১নং আসামি রিফাতের সহিত ভিকটিমের পরিচয় হয়। সে সুবাদে বিভিন্ন সময় রিফাতের সহিত ভিকটিমের কথাবার্তা হত। একপর্যায়ে রিফাতের সহিত ভিকটিমের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। তখন রিফাত ভিকটিমের সহিত দেখা করবে বলে তাকে বন্দর থানাধীন বন্দর ঘাটে আসার জন্য বললে ভিকটিম জানায় তার কাছে গাড়ি ভাড়ার টাকা নাই। তখন রিফাত ভিকটিমকে ৫০০ টাকা বিকাশ করে পাঠায়। টাকা পাওয়ার পর গত ২৯ মার্চ সকাল অনুমান ৬ টার দিকেবাড়ি হতে কাউকে কিছু না বলে বের হয়ে চাঁদপুর সদর থানাধীন চাঁদপুর বড় স্টেশন লঞ্চঘাট হতে নারায়ণগঞ্জ সদর থানাধীন নারায়ণগঞ্জ লঞ্চঘাটে এসে নামলে রিফাত ভিকটিমকে ফোন করে বন্দর থানাধীন বন্দর ঘাটে আসার জন্য বলে। একই তারিখ দুপুর ১ টার দিকে  বন্দর থানাধীন বন্দর ঘাট হইতে রিফাত রিসিভ করে মিশুকযোগে বিভিন্ন জায়গায় নিয়ে ঘোরাফেরা করে বিকাল অনুমান সাড়ে ৩ টার দিকে  ভিকটিমকে নারায়ণগঞ্জ জেলার বন্দর থানাধীন নবীগঞ্জ কদমরসুল নামক নির্জনস্থানে অনুমান ০৪ ফুট উচ্চতা বিশিষ্ট দেওয়াল নির্মানকৃত জমির মধ্যে নিয়া যায়। ভিকটিম সেখানে গিয়ে গ্রেফতারকৃত ২ নং আসামি রোমানকে দেখতে পায়।  পরবর্তীতে  রিফাত এবং রোমান দুইজন মিলে ভিকটিমকে ভয়ভীতি দেখিয়ে ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোরপূর্বক পালাক্রমে ধর্ষণ করে। ধর্ষণ শেষে আসামিদ্বয় ঘটনাস্থলে নেশাদ্রব্য সেবন করে ভিকটিমের সহিত উদ্যত আচরন শুরু করে এবং একটা পর্যায়ে আসামিদ্বয় ঘটনাস্থল হইতে কৌশলে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে ভিকটিমের বাবা বাদী হয়ে ঐ দুইজনকে আসামি করে বন্দর থানায় একটি গণধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। উক্ত ঘটনাটি ঘটার পরপরই বিভিন্ন টিভি এবং প্রিন্ট মিডিয়ায় প্রচারের মাধ্যমে ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি করে। অত্র মামলাটি রুজু হওয়ার পর মামলার এজাহারনামীয় ২ জন আসামিদের গ্রেফতারের জন্যে র‍্যাব-১১ নারায়ণগঞ্জ গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করে। এরই ধারাবাহিকতায় নিজস্ব গোয়েন্দা নজরদারি ও সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে র‍্যাব-১১ আসামিদের গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছে। গ্রেফতারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ কার্যক্রমের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেলার বন্দর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।