News Narayanganj
Bongosoft Ltd.
ঢাকা বুধবার, ১৩ মে, ২০২৬, ৩০ বৈশাখ ১৪৩৩

বিএনপি-এনসিপি কেউ কাউকে ছাড়বে না : হাটের ইজারা নিয়ে সংঘাতের শঙ্কা


দ্যা নিউজ নারায়ণগঞ্জ ডটকম | স্টাফ রিপোর্টার প্রকাশিত: মে ১৩, ২০২৬, ১০:৪০ পিএম বিএনপি-এনসিপি কেউ কাউকে ছাড়বে না : হাটের ইজারা নিয়ে সংঘাতের শঙ্কা

নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার বক্তাবলী ঘাট নিয়ে বিএনপি এনসিপি এবং জামায়াতের অনুসারীদের মধ্যে ত্রিমুখী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছিলো। মূলত ঘাটের ইজারা নিয়ে আধিপত্য বিস্তারের জের ধরে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। তবে পারস্পরিক বোঝাপড়ার মাধ্যমে হাটের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের কাছে রাখতে চায় বিএনপি নেতারা। এতে জামায়াত এনসিপি রাজি না হওয়ায় বল প্রয়োগে একক আধিপত্য ধরে রাখতে চাচ্ছে বিএনপি। আর সেই আধিপত্য ভাঙতেই বক্তাবলী ঘাটে শিডিউল ড্রপ করে এনসিপির অনুসারীরা।

সেই ঘাটের শিডিউলের মত সদর উপজেলায় বসতে যাওয়া সবগুলো গরুর হাটের দরপত্র ক্রয়ের কথা ভাবছে এনসিপির কর্মী ও অনুসারীরা। প্রতিটি হাটের শিডিউল ক্রয় করে তা জমা দিবেন বলে জানা গেছে। এর মধ্যে দিয়ে সিন্ডিকেট ভাঙ্গা হবে বলেও প্রত্যাশা তাদের। কোন ধরনের নেগোসিয়েশন না করে সরকারি বিধি মোতাবেক শিডিউল ড্রপ করতে বদ্ধ পরিকর। এরপর সর্বোচ্চ দরদাতা হাটের টেন্ডার পাবেন। যা নিয়ে কারও কোন আপত্তি থাকবে না।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ৫ আগস্টের পর থেকে সদর উপজেলার সকল হাট, ঘাট, বাজারের ইজারা নিয়ন্ত্রণ করছে বিএনপির নেতাকর্মীরা। সম্ভাব্য আগ্রহীরা একত্রিত হয়ে সরকারি রেটের সামান্য কিছু দর বাড়িয়ে টেন্ডার নিয়ে নিচ্ছেন। এরপর সেই হাট ঘাটের ইজারা নিজেদের কাছে রেখে লভ্যাংশ ভাগ করে নেন নিজেদের মধ্যে। সিন্ডিকেট হবার কারণে বিএনপির বাইরের কেউ ঢুকতে পারে না। আর সিন্ডিকেটের কারনে সরকার বাড়তি অর্থ থেকে বঞ্চিত হয়। অথচ উন্মুক্ত প্রতিযোগীতা থাকলে দর বৃদ্ধি পেত আরও কয়েকগুন।

সবশেষ ২১ এপ্রিল বক্তাবলী ঘাটে এনসিপি ও জামায়াতের অনুসারীরা শিডিউল ক্রয় করলে ভেঙ্গে যায় সিন্ডিকেট। আগের রাত পর্যন্ত সমঝোতা করার চেষ্টা করলেও তাতে সাড়া দেয়নি কেউ। যা স্বীকার করেন খোদ ফতুল্লা থানা বিএনপির সভাপতি। এবার কোরবানির পশুর হাটেও কোন প্রকার সমঝোতা না করে সরাসরি শিডিউল ক্রয় করে তা জমা দিবে এনসিপি।

এনসিপি সমর্থক এক ব্যবসায়ী জানান, আমাদের পরিকল্পনা আমরা বৈধভাবে ব্যবসা করবো। এক্ষেত্রে কারও রক্তচক্ষুকে আমরা ভয় পাইনা। আমরা আমাদের সাধ্যমত দর বলবো। যারা সর্বোচ্চ দরদাতা হবে তারা হাট বুঝে নিবে। আমরা সমঝোতার নামে সরকারি রাজস্বকে ক্ষতিগ্রস্থ করতে চাই না। আমরা প্রত্যাশা করি প্রশাসন এই টেন্ডার প্রক্রিয়ায় সহযোগীতা করবে। এবং উপজেলায় আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখবে।