আগামী ১৫ দিনের মধ্যে সিনিয়র আইনজীবী অ্যাডভোকেট ড. তৈমূর আলম খন্দকারের পিস্তল ও বন্দুকের লাইসেন্স নবায়ন করার জন্য হাইকোর্টের নির্দেশ প্রদান করেছেন। গত ১৯ আগস্ট বিচারপতি শশাঙ্ক শেখর সরকার ও বিচারপতি ফয়সাল হাসান আরিফ সমন্বয়ে ডিভিশন ব্যাঞ্চ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও পুলিশ সুপারকে এই নির্দেশ প্রদান করেন।
এর আগে সেনা সমর্থিত ১/১১ জরুরী সরকার কর্তৃক তৈমূর আলম খন্দকার ২০০৭ সালের ১৮ এপ্রিল গ্রেফতার হয়ে ২৬ মাস কারবন্দী থাকাবস্থায় ২০০৭ সালের ১০ ডিসেম্বর কারা কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে পিস্তল ও বন্দুকের লাইসেন্স ২০০৮ বছরের জন্য নবায়নের আবেদন করলে তার বিরুদ্ধে ফৌজদারী (রাজনৈতিক) মামলা থাকায় জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট, নারায়ণগঞ্জ লাইসেন্স দুইটি নবায়নের আবেদন নামঞ্জুর করেন।
পরবর্তীতে ২০০৯ সালের ১৪ মে কারামুক্ত হয়ে তৈমূর আলম খন্দকার প্রশাসনিক ভাবে লাইসেন্স দুইটি নবায়নে ব্যর্থ হয়ে রীট পিটিশন ১১০২/২০১২ দায়ের করলে সরকারের প্রতি কারন দর্শানোর রুল জারী হলে শুনানীর জন্য অনেক রায় হাইকোর্টের কার্য তালিকা ভূক্ত থাকালেও রাষ্ট্র পক্ষের অনীহার কারনে রীট পিটিশন র্দীঘ দিন শুনানী হয় নাই।
সম্প্রতি কয়েক দফা শুনানীঅন্তে গত ১৯ তারিখে জনাব বিচারপতি শশাঙ্ক শেখর সরকার ও বিচারপতি ফয়সাল হাসান আরিফ সমন্বয়ে ডিভিশন ব্যাঞ্চ আগামী ১৫দিনের মধ্যে তৈমূর আলম খন্দকারের পিস্তল ও বন্দুকের লাইসেন্স নবায়ন করার জন্য জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট ও পুলিশ সুপারকে নির্দেশ প্রদান করেন।
প্রসঙ্গত, তৈমূর আলম খন্দকার সম্পদিত জাতীয় সাপ্তাহিক পত্রিকা “গনডাক” এর ডিক্লারেশন ১/১১ সরকার বাতিল করলে (রীট পিটিশন ২০৭৪/২০১১) হাইকোর্টের নির্দেশে পত্রিকায় ডিক্লারেশন ফেরৎ পান। ১/১১ সরকার তৈমূর আলম খন্দকারের নামে রাজউক কর্তৃক বরাদ্দকৃত উত্তরার প্লট বাতিল করলে হাইকোর্টের (রীট পিটিশন নং ৮৯৩৭/২০১০) নির্দেশে উক্ত প্লট ফেরৎ পেয়েছেন।



































আপনার মতামত লিখুন :