News Narayanganj
Bongosoft Ltd.
ঢাকা মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬, ২ ভাদ্র ১৪৩৩

আগামী ১ মাসের মধ্যে দৃশ্যমান হবে কদমরসুল সেতুর নির্মাণ কাজ


দ্যা নিউজ নারায়ণগঞ্জ ডটকম | স্টাফ রিপোর্টার প্রকাশিত: আগস্ট ১৭, ২০২৬, ০৯:৪০ পিএম আগামী ১ মাসের মধ্যে দৃশ্যমান হবে কদমরসুল সেতুর নির্মাণ কাজ

নারায়ণগঞ্জ শহর এবং বন্দরকে দুই ভাগে বিভক্ত করেছে এক সময়কার সুপেয় পানির নদী শীতলক্ষ্যা। বন্দর থেকে খুব দ্রুত সময়ে নারায়ণগঞ্জে আসার একমাত্র সহজ পথ এই শীতলক্ষ্যা নদী পারাপার। কিন্তু একটি সেতুর অভাবে এই দ্রুত ও সহজ যাতায়াতের পথ হয়ে উঠেছে সময় সাপেক্ষ ও ঝুঁিক পূর্ন। আধা কিলোমিটারেরও কম প্রস্থের এই নদী পাড়ি দিতে গত ৫০ বছরে হারিয়েছে হাজারো মানুষের প্রাণ। স্বাধীনতার পরবর্তী ৫৫ বছর ধরেই বন্দরবাসীর দাবি ছিল শীতলক্ষ্যা নদীর উপর দিয়ে সহজে যাতায়াতের একটি সেতু। অবশেষে বন্দর বাসীর এই স্বপ্ন বাস্তবে রূপ নিতে শুরু করেছে।

শহরের চারারগোপ থেকে বন্দরের একরামপুর দিয়ে ৭৩৫ কোটি ১৮ লাখ টাকা নির্মিত হচ্ছে দেশের সব থেকে বড় ক্যাবল স্টেড সেতু।

নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের প্রস্তাবনায় ২০১৮ সালের ৯ অক্টোবর জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় চূড়ান্ত অনুমোদন পায় কদম রসুল সেতুটি। দেড় কিলোমিটার দীর্ঘ সেতুটির মূল অংশ থাকবে নদীর ওপর বিশেষ তার দিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায়। যার দৈর্ঘ্য হবে ৩৮০ মিটার। দুই পাশে পথচারীদের চলাচলের জন্য থাকবে ফুটপাত। ২০২৮ সাল নাগাদ সেতুটির নির্মাণ কাজ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।

তবে আগামী ১ মাসের সেতুটির নির্মাণ কাজ দৃশ্যমান হতে শুরু করবে বলে জানিয়েছেন প্রকল্পটির সাব অ্যাসিসেন্ট ইঞ্জিনিয়ার শাকিল আহম্মেদ।

তিনি জানান, সদর এবং বন্দরে দুই পাড়েই দিনরাত ২৪ঘণ্টা কাজ চলমান রয়েছে। নদীর দুইপাড়ে মাটির নিচে মোট পাইল সংখ্যা ২৩৭ টি যার ভিতরে সম্পন্ন হয়েছে ১৪৬ টি পাইল। বন্দরে ১০৭ টি পাইলের ভিতর  সবগুলোর কাজ সম্পূর্ণ হয়েছে। এখন পাইল ক্যাপের কাজ চলমান রয়েছে। সদরে ১০৯টি পাইলের ভিতর ৩৬ টি সম্পূর্ণ হয়েছে ।

আগামী এক মাসের ভিতরে সদরের (রেলওয়ের জায়গা ব্যতিত) বাকি অংশের পাইলের কাজ শেষ হয়ে যাবে। দ্রুত রেলওয়ের জায়গা  ঠিকাদারকে বুঝিয়ে না দিলে চলমান কাজের স্থবিরতা চলে আসবেএবং আন্তর্জাতিক ঠিকাদার হওয়ায় বাংলাদেশ সরকারের কাছে ক্ষতিপূরণের দাবি করার সম্ভাবনা রয়েছে। তাই দ্রুত রেলওয়ে এবং সিটি কর্পোরেশনের সমঝোতার মাধ্যমে নির্ধারিত অ্যালাইনমেন্টের জায়গা ঠিকাদারকে বুঝিয়ে দেওয়া প্রয়োজন।

অ্যাসিসেন্ট ইঞ্জিনিয়ারের দেওয়া তথ্য মতে, বর্তমান পরিস্থিতিতে কদম রসুল সেতুর বাস্তবায়নে এখন সব থেকে বড় প্রতিবন্ধকতা হিসেবে দেখা দিয়েছে রেলওয়ে। রেলওয়ের জমি সেতুর কাজের জন্য বুঝিয়ে না দিলে থেমে যাবে স্বপ্নের কদমরসুল সেতুর অগ্রগতি।