নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ের বারদী এলাকার ক্লুলেস অটোচালক ওয়ালি উল্লাহ হত্যা মামলার রহস্য উন্মোচন করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) নারায়ণগঞ্জ শাখা।
অটোরিক্সা ছিনতাইকারি চক্রের সদস্যরা যাত্রীবেশে ওয়ালি উল্লাহর অটো রিক্সা ভাড়া নিয়ে ওয়ালি উল্লাহকে হত্যা করে লাশ পাশের ডোবায় ফেলে দিয়ে অটোরিক্সা ছিনিয়ে নিয়ে যায়। হত্যাকান্ডের মাত্র এক মাসের মাথায় হত্যাকান্ডে জড়িত দুই আসামীকে গ্রেফতার করেছে। ছিনতাইকৃত অটোরিক্সা এবং নিহতের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে।
রোববার দুপুরে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার সাইনবোর্ড এলাকায় অবস্থিত পিবিআই অফিসে এক প্রেস কনফারেন্সে পুলিশ সুপার মো: মোস্তফা কামাল রাশেদ এসব তথ্য জানান।
তিনি বলেন, গত ৫ জুলাই সোনারগাঁয়ের বারদী এলাকার হারুনুর রশিদের ছেলে অটোটালক ওয়ালি উল্লাকে যাত্রীবেশেী ছিনতাইকারি চক্রের দুই সদস্য বারদী বাজার থেকে আড়াইহাজার যাওয়ার জন্য ভাড়া করে। বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে রাতে ফেরার পথে পুর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী ধ্রুপদী নির্জন এলাকায় এসে চক্রের অন্য সদস্যদের সহযোগিতায় ধারালো চাকু দিয়ে ওয়ালি উল্লাহকে হত্যা করে লাশ ডোবায় ফেলে দিয়ে অটো নিয়ে পালিয়ে যায়।
রাতে বাসায় না ফেরায় পরের দিন ওয়ালি উল্লাহ বাবা সোনারগাঁ থানায় জিডি করেন। ওই দিনই নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে ধ্রুপদী এলাকায় ওয়ালি উল্লাহ লাশ পেলে পরিবারের লোকজন গিয়ে শনাক্ত করে। এ ঘটনায় আড়াইহাজার অজ্ঞাত পাঁচ-ছয়জন অজ্ঞাত অসামী করে থানায় মামলা হয়। ঘটনার পর থেকেই ছায়া তদন্ত শুরু করে পিবিআই। পরে মামলার তদন্তভার পায়। ঘটনার দিনের আশেপাশের সিসি টিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে বিশ্লেষন, তথ্যপ্রযুক্তি সহাযতায় অটো ভাড়া নেয়া দুই যাত্রীকে চিহৃত করে।
পরে ৩ আগষ্ট সোনারগাঁয়ের বারদী আলমদী এলাকার আব্দুল লতিফ ছেলে আওলাদ হোসেনকে (২৬) গ্রেফতার করে। পরে তার দেয়া তথ্য অনুযায়ী অপর যাত্রী মো: শাহিন (৩১) গ্রেফতার করে। পরে তাদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালতে উপস্থাপন করে সাত দিনের রিমান্ডের আবেদন করে। আদালত পাচঁ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে। জিজ্ঞাসাবাদে শাহিন অটো ছিনতাইয়ের উদ্দ্যোশে যাত্রী বেশে ভাড়া নিয়ে অটো ছিনতাইয়ের কথা স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি প্রদান করে।





































আপনার মতামত লিখুন :