নারায়ণগঞ্জ মহানগর ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠাকালিন সভাপতি কেএম মাজহারুল ইসলাম জোসেফ বলেন, এক চেতনা ব্যবসায়ী রাজনৈতিকভাবে দেউলিয়া হয়ে গেছে। তাই বলতে চাই, চেতনা নিয়ে ব্যবসা বন্ধ করুন। দেশকে ভালোবাসে জনগণের স্বার্থে কাজ করে যাওয়ার নামই রাজনীতি। বিএনপির নেতাকর্মীরা যথেষ্ট ভদ্র নম্ন সর্বোচ্চ সহ্যসীমা নিয়ে রাজনীতি করে। এই ভদ্র সভ্যতাকে কেউ যদি দুর্বলতা মনে করে তাহলে বিরাট ভুল হবে।
বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) বিকেলে বৃষ্টি উপেক্ষা করে আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে তিনি এসব কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বিরুদ্ধে কটুক্তি ও সকল দেশ বিরোধী অপশক্তির ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে এই সমাবেশের আয়োজন করা হয়। এদিন শহরের নিতাইগঞ্জ এলাকায় বিক্ষোভ সমাবেশ শেষে মিছিল নিয়ে মহানগর বিএনপির সমাবেশে যোগদান করেন।
কেএম মাজহারুল ইসলাম জোসেফ বলেন, আমরা চাই এনসসিপি গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে গালাগালি না করে রাজনীতি করুক। আমরা তাদের স্বাগত জানাই। তারা জনগণের ভালোবাসার মাধ্যমে প্রতিযোগিতা করুক। আমরা চাই সুস্থ সুন্দর প্রতিযোগিতার মাধ্যমে গণতান্ত্রিক পরিবেশ প্রতিষ্টিত হোক। যারা গালাগালি করে তাদের মস্তিষ্ক বিকৃত ছাড়া কিছু নয়। যারা রাজনীতিতে এলোমেলো কথা বলে তাদের মস্তিষ্ক কাজ করে না। সাবধান হোন আপনাদের শিখার অনেক কিছু আছে।
তিনি শিবিরকে সাবধান করে বলেন, আমরা দেখেছি তোলারাম কলেজে ছাত্রশিবির কর্তৃক ছাত্রদল আক্রান্ত হয়েছে। আমি শুধু বলতে চাই সাবধান! হানাহানিতে যাবেন না। হানাহানিতে গেলে বিএনপি লাগবে শুধু অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরাই যথেষ্ট। রাজনৈতিক টেবিলে যারা আছি চরম মাত্রায় ষড়যন্ত্র চলছে। যার যার অবস্থান থেকে সরকারকে সহযোগিতা করা উচিত।
সভাপতির বক্তব্যে মহানগর যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সাগর প্রধান বলেন, যারা এনসিপি করছেন আপনারা দরিদ্র পরিবারের সন্তান ছিলেন। ছাত্রদের রক্তে পাড়া দিয়ে এমপি হয়েছেন। আপনারা নেতৃত্ব দিচ্ছেন ছাত্রদের রক্তে পাড়া দিয়ে। আপনারা এমপি হয়েছেন তাদের পরিবারের জন্য কি করেছেন। ঠুনকো কিছু মানুষের নেতৃত্ব দিয়ে সারা দেশের নেতা হওয়া সম্ভব নয়। আপনারা জুলাই যোদ্ধাদের সাথে প্রতারণা করছেন। নাসিরউদ্দিন পাটোয়ারী চরম বেয়াদব। এই চরম বেয়াদবের স্থান রাজনীতিতে হতে পারে না।
উপস্থিত ছিলেন যুবদল নেতা আমির হোসেন, জুয়েল প্রধান, আখতারুজ্জামান মৃধা, আতিকুর রহমান সবুজ, শফিকুল আলম মুক্ত, এম এ মান্নান সরকার, আলী নওষাদ তুষার, মুসা, মনা, হাজী সাঈদ, বাপ্পি শিকদার, ইব্রাহিম বাবু, লিটন, মাহমুদুল হাসান মাসুম, মনির, আলফু প্রধান, আলমামুন, নূর আলম খন্দকার, মিজান, সাঈদ মুন্শি, আক্তার হোসেন, কাজী সোহাগ, মুসা, দুলাল, মিন্টু, নূর আলম খন্দকার, ফারহান রুবেল, মাইনুল, হানিফ, আক্তার ভান্ডারি, ইকরাম, কাজল, শান্ত, জসিম বেপারী, রনি চৌধুরী, হারুন, শরীফ, আলআমিন,আকিব, শফিক ও জাহাঙ্গীর প্রমুখ।

































আপনার মতামত লিখুন :