আর মাত্র কয়েকদিন পরই মুসলমানদের অন্যতম বড় ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত হবে। ইতোমধ্যে ঈদকে কেন্দ্র করে সরকার টানা সাতদিনের ছুটি ঘোষণা করেছেন। আর ঘোষিত ছুটিতে পরিবার-পরিজনের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করার লক্ষ্যে নারায়ণগঞ্জের হাজারো অস্থায়ী মানুষেরা নাড়ির টানে বাড়ির পথে ছুটে চলেছেন।
মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) সকালে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের নারায়ণগঞ্জ অংশের বাসস্ট্যান্ডলোতে যাত্রীদের ভিড় চোখে পড়েছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, মহাসড়কের সাইনবোর্ড, শিমরাইল ও কাঁচপুর বাসস্ট্যান্ডের টিকিট কাউন্টারগুলোতে যাত্রীদের ভিড় বেড়েছে। এর ফলে সড়কে গাড়ির চাপও তুলনামূলক বেশি রয়েছে। তবে,এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত কোথাও কোনো যানজট সৃষ্টি হতে দেখা যায়নি।
চট্টগ্রাম যাবেন সরকারি কর্মকর্তা মোখলেছুর রহমান। তার সঙ্গে কথা বললে তিনি জানান, ১৭-২৩ তারিখ পর্যন্ত তিনি ছুটি পেয়েছেন। প্রতিবছরের ন্যায় এবারও বাবা-মায়ের সঙ্গে ঈদ উদযাপনের লক্ষ্যে গ্রামে যাচ্ছেন। লম্বা ছুটিতে আনন্দঘন মুহূর্তের জন্যে আগেভাগে ছুটে যাচ্ছেন।
শাহজাহান নামের আরেক যাত্রী বলেন, কক্সবাজার যাবো গাড়ির জন্য অপেক্ষা করছি। গতকাল ছুটি পেয়ে আজ রওনা হয়েছে। তবে প্রতিবারের মতো এবারও টিকিট বিক্রেতারা ৫০-১০ টাকা বাড়তি চাচ্ছে। ছুটির প্রথম দিনেই গাড়ির অনেক চাপ দেখা যাচ্ছে।
এদিকে টিকিট কাউন্টারে কর্মরত কয়েকজন স্টাফের ভাষ্যমতে, গতকাল রাত থেকে যাত্রীর চাপ বেড়েছে। আর পূর্বের নির্ধারিত ভাড়া অনুযায়ী গাড়ি চলছে। অধিক ভাড়া আদায়ের অভিযোগ মিথ্যে।
শিমরাইল হাইওয়ে পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ জুলহাস উদ্দিন জানিয়েছে, ঈদযাত্রায় মানুষের ভোগান্তি এড়াতে আমাদের শিমরাইল হাইওয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে ৪২জন সদস্য মোতায়েন থাকছে। মানুষের জানমাল নিরাপত্তায় আমাদের কোনো কোন প্রকার গাফিলতি নেই। আশাবাদী যানজটের কোনোরকম ভোগান্তি ঘটবে না।
কাঁচপুর হাইওয়ে পুলিশ থানার ইনচার্জ শ্রী কৃষ্ণপদ বলেন, ঈদযাত্রাকে কেন্দ্র করে মানুষের যাত্রা নির্বিঘ্ন করতে আমাদের কাঁচপুর হাইওয়ে থানা থেকে ৮২ জন পুলিশ কাজ করছেন। যেকোনো যানবাহন বিকল হলে সঙ্গে সঙ্গে সেটি মহাসড়ক থেকে সরিয়ে নেওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে।


































আপনার মতামত লিখুন :