News Narayanganj
Bongosoft Ltd.
ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১১ জুন, ২০২৬, ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

নারায়ণগঞ্জে ১৫ জুন থেকে ৮ দিনব্যাপী বিতর্ক উৎসব


দ্যা নিউজ নারায়ণগঞ্জ ডটকম | স্টাফ রিপোর্টার প্রকাশিত: জুন ১১, ২০২৬, ০৩:১৯ পিএম নারায়ণগঞ্জে ১৫ জুন থেকে ৮ দিনব্যাপী বিতর্ক উৎসব

"যুক্তির সমীরণে প্রাচ্যের ডান্ডি" প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আগামী ১৫ জুন থেকে নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলায় শুরু হচ্ছে ৮ দিনব্যাপী বিতর্ক উৎসব ২০২৬।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আয়োজিত প্রেস কনফারেন্সে উপজেলা নির্বাহী অফিসার এস এম ফয়েজ উদ্দিন এ তথ্য জানান।

উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে এবং লজিক অফ বাংলাদেশের সার্বিক সহযোগিতায় অনুষ্ঠিতব্য এই উৎসবে নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার ৬৪টিরও বেশি স্বনামধন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অংশ নিচ্ছে। প্রায় ৬০০ জন শিক্ষার্থী এবং ৬০ জন শিক্ষকের সমন্বয়ে আয়োজিত এ উৎসবের মূল লক্ষ্য শিক্ষার্থীদের মধ্যে জলবায়ু সচেতনতা বৃদ্ধি।

১৫ জুন সকাল ১০টায় উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান ও বিতর্ক কর্মশালার মাধ্যমে উৎসবের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হবে। প্রাথমিক পর্যায় থেকে ৩২টি এবং মাধ্যমিক পর্যায় থেকে ২৮টি দল নকআউট পর্বে অংশ নেবে। নকআউটের মাধ্যমে সেরা দুটি দল নিয়ে ২২ জুন সকাল ১০টায় জেলা শিল্পকলা একাডেমি অডিটোরিয়ামে গ্র্যান্ড ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে।

প্রেস কনফারেন্সে উপজেলা নির্বাহী অফিসার এস এম ফয়েজ উদ্দিন বলেন, প্রাচ্যের ডান্ডি হিসেবে খ্যাত নারায়ণগঞ্জ শুধু শিল্প নগরী নয়, শিক্ষা ও বুদ্ধিভিত্তিক কার্যক্রমেও অগ্রগামী। এই বিতর্ক উৎসব শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশ, দলগত কাজে অংশীদারিত্ব ও যুক্তির আলোয় আলোকিত প্রজন্ম বিনির্মাণে ভূমিকা রাখবে।

তিনি আরও বলেন, এই উৎসব নারায়ণগঞ্জের শিক্ষার্থীদের প্রতিভাকে বিকশিত করে জাতীয় বিতর্ক অঙ্গনের সাথে নারায়ণগঞ্জের ঐতিহ্যের সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করবে। এর মাধ্যমে আমাদের শিক্ষার্থীদের টেলিভিশন ও বেতার বিতর্কের পথ সুগম হবে এবং মেধার সুবাতাস ছড়িয়ে পড়বে সমগ্র দেশে।

ইউএনও বলেন, বিতর্ক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ শিক্ষার্থীদের আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি, যৌক্তিক চিন্তাশক্তি, ও জনসমক্ষে কথা বলার দক্ষতা বহুলাংশে উন্নত করে। এটি কেবল একটি প্রতিযোগিতা নয়, বরং নিজের মতামতকে সাবলীলভাবে তুলে ধরা এবং অন্যের মতামতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়ার চমৎকার একটি মাধ্যম।

ইউএনও এস এম ফয়েজ উদ্দিন বলেন, অনেক শিক্ষার্থী জনসমক্ষে কথা বলতে ভয় পায়। তাদের আশ্বস্ত করতে হবে যে, ভুল থেকেই শেখার শুরু। বিতর্ক হলো সেই নিরাপদ জায়গা, যেখানে ভুল করলে শুধরে নেওয়া যায়। বিতর্কের মাধ্যমে শব্দভাণ্ডার বৃদ্ধি পায়, চিন্তার পরিধি বাড়ে এবং যে কোনো বিষয়ের গভীরে যাওয়ার অভ্যাস তৈরি হয়।