এস.এস.সি পরিক্ষা ফলাফলে নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলায় ২৩টি স্কুলে ছেলেদের চেয়ে মেয়ে শিক্ষার্থীরা সবচেয়ে বেশি জি.পি.এ-৫ পেয়েছেন। একই সাথে আটটি স্কুলে কেউ জিপিএ-৫ পাননি, পাচঁটি স্কুলে পাচঁজন এ প্লাস পেয়েছে মেয়ে শিক্ষার্থীরা। যার ফলে পুরো বন্দর উপজেলার মাত্র ৭৮টি জিপিএ-৫ পেয়েছেন। এর মধ্যে ২৬জন ছেলে বাকি ৫২জন মেয়ে শিক্ষার্থী রয়েছেন। যেখানে শহরে একটি স্কুলে এ প্লাস পুরো বন্দর উপজেলা থেকে বেশি পেয়েছে।
বন্দর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, বন্দর গার্লস স্কুল এন্ড কলেজে ৪৩০জন মেয়ে শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে ৩৬১ জন পাস, ৬৯জন ফেল ও ২৯জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়ে পাসে হার ৮৩.৯৫। অন্যদিকে বি এম ইউনিয়ন স্কুল এন্ড কলেজে ৩৪০জন ছেলে শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে ২৯১ জন পাশ, ৪৯জন ফেল ও ১৬জন জিপিএ-৫ পেয়ে পাসে হার ৮৫.৫৯। এই দুই স্কুলের মধ্যে পাশে হার বেশি তফাৎ না হলেও এতে মেয়েরা এগিয়ে রয়েছেন।
বন্দর উপজেলার পাশের হার সবচেয়ে বেশি আলহাজ্ব ফজলুল হক গার্লস হাইস্কুল। ২২জন শিক্ষার্থী এসএসসি পরিক্ষা অংশগ্রহণ করে ২১জন পাশ করে, ১জন ফেল ও কেউ জিপিএ-৫ পায়নি। অন্যদিকে নাজিমউদ্দিন ফকির চাঁন উচ্চ বিদ্যালয়ের পাশে হার রয়েছে ৯২.৮৬। ৫৬ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন ৫২জন পাশ, ৪জন ফেল ও ১জন মেয়ে শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে। এই দুই স্কুলে কেউ শতাধিক শিক্ষার্থী পরিক্ষা অংশগ্রহণ না করে পাশে হার বৃদ্ধি করেছেন।
এদিকে একাধিক স্কুলের সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রীতি দেশে ঘটনাবহুল ও আধুনিক প্রযুক্তি হওয়া কারণে মেয়েদের চেয়ে ছেলেরা পড়াশুনা অমনযোগী হয়ে পড়েছে। মেয়েরা বাড়িতে থাকলেও লেখাপড়া চলমান ছিলো। ছেলেরা স্কুল ফাঁকি, ক্লাসে অমনযোগী ও দেশে ঘটে যাওয়া একাধিক আগে পরে স্কুল বাড়ি অনুপস্থিতিতে পিছিয়ে যাচ্ছে। তার মধ্যে প্রি-টেষ্টে ফেল করা শিক্ষার্থীরা প্রভাব খাটিয়ে এস এস সি পরিক্ষায় অংশগ্রহণ করায় ফলাফলে ছেলেদের বিপর্যয় সৃষ্টি হয়েছে।
অন্যদিকে বন্দর উপজেলার স্কুল এন্ড কলেজগুলো বর্তমানে এডহক কমিটি মাধ্যমে পরিচালনা করছেন বিএনপির সরকার। যার কারণে আগামী বছর জানুয়ারি শুরুতে এস.এস.সি পরিক্ষায় শতভাগ পাশ করার লক্ষ্যে শিক্ষামানে কাজ করে যাচ্ছে বলে জানা গেছে।
































আপনার মতামত লিখুন :