এলাকায় পরিচিত স্বচ্ছ রাজনীতিবিদ হিসেবে। পরিবারের কেউই নন রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। তবুও রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হতে হয়েছে নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ শাহ আলমের। নির্বাচনী প্রচারণায় জালিয়াতি অভিযোগ এনে তিনি, তার পরিবার ও অনুসারীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা হয়েছে মামলা। যেখানে আসামি করা হয়েছে শাহ আলম তার স্ত্রী ইসরাত জাহান সুমি, দুই ছেলে আহনাফ রাফসান শাসন ও আহনাফ শাহ সাহেল এবং চার কর্মী শাহীন মুন্সি, সোহেব আক্তার সোহাগ, জিয়াউল হক জিয়া ও পলাশ হোসেন শরীফকে। অথচ শাহ আলমের এক ছেলে। কিন্তু মামলায় দেখানো হয়েছে শাহ আলমের দুই ছেলেকে। এর ফলে মামলা বৈধতা নিয়েও প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে।
এ বিষয়ে মামলার আইনজীবী এবং ফতুল্লা থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আব্দুল বারী ভূঁইয়া এ বিষয়ে বাদী ভালো বলতে পারবেন। আমি এ বিষয়ে বিস্তারিত জানি না। মামলায় ৮জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। তদন্তের পর আসামি বাড়তেও পারে আবার কমতেও পারে। এখানে মূল ফ্যাক্টর হচ্ছে ঘটনা সত্য কিনা, ঘটনা ঘটেছে কিনা। ঘটনার সত্যতা থাকলে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা হবে।
এর আগে গত ৫ ফেব্রুয়ারি দুপুরে সাইফুল ইসলাম নামের নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের একজন ভোটার বাদী হয়ে আদালতে এই মামলাটি দায়ের করেন। সেই সাথে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এম সাইফুল ইসলাম মামলাটি গ্রহণ করে সিআইডিকে তদন্ত করে আগামী ১২ মে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। তবে সিআইডি ইচ্ছা করলে উল্লেখিত তারিখের আগে যে কোনো দিন প্রতিবেদন দিতে পারবেন। এসময় অ্যাডভোকেট আব্দুল বারী ভূঁইয়া জানান, ১, ২ ও ৩ ফেব্রুয়ারি প্রচারণার সময় শাহ আলম ও তার কর্মীরা “বিএনপির মার্কা হরিণ”, “ধানের শীষের মার্কা হরিণ”, “বেগম খালেদা জিয়ার মার্কা হরিণ”, “দেশনেত্রীর মার্কা হরিণ” ইত্যাদি বিভ্রান্তিকর স্লোগান দিয়েছেন। তারা এই স্লোগান দিয়ে ভোটারদের জালিয়াতি করেছেন। যা নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করা হয়েছে।


































আপনার মতামত লিখুন :