নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে জামায়াত এনসিপি জোট মনোনীত প্রার্থী আবদুল্লাহ আল আমিন বলেছেন, ‘কোন কোন প্রার্থী সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজদের পাশে নিয়ে ভোট চাইছেন। আবার একজন আলেম সাংবাদিকদের উপর হামলা চালিয়েছে এমন ব্যক্তিদের পাশে নিয়ে ভোট চাচ্ছে। আমরা মনে করি কে কতটুকু জনগনকে দিবেন তা তাদের কাজকর্মে বোঝা যায়। জনগণ ইনশাআল্লাহ সঠিক সিদ্ধান্ত নিবেন। জনগন সৎ, যোগ্য ও দক্ষ নেতৃত্ব চায়। তারা চায় দেশের পরিবর্তন হোক। এই দেশে আর কখনও কোন সন্ত্রাসী, ফ্যাসিস্ট, চাঁদাবাজ, দুর্নীতিবাজরা সুযোগ না পায় সেটাই জনগন চায়।’
শুক্রবার সকালে ফতুল্লায় নির্বাচনী গণমিছিল আয়োজন করে ১১ দলীয় জোট। মিছিলপূর্বক সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে আবদুল্লাহ আল আমিন এই মন্তব্য করেন। এদিন মিছিলটি ফতুল্লার ভূইগড় থেকে জালকুড়ি, পাগলা বাজার, ফতুল্লা বাজার হয়ে পঞ্চবটিতে শেষ হয়।
আল আমিন বলেন, নির্বাচন নিয়ে ভোটারদের মধ্যে উচ্ছ্বাস আছে। কারন তারা দীর্ঘদিন ভোট দিতে পারেনাই। আবার দেখছি প্রার্থিদের মধ্যে আচরণবিধি লঙ্ঘন, হুমকি ধামকি, তোরন বানানো, ক্যাম্প, ফেস্টুন, ব্যানার ছিঁড়ে ফেলা। আমরা পরিবর্তনের বার্তা নারায়ণগঞ্জ ৪ অঞ্চলের বাসিন্দাদের দিতে চাই। এই এলাকায় রাজনৈতিক দুর্বিত্তায়ন, নাগরিক অধিকারকে অবহেলা থেকে উত্তরণ ঘটিয়ে নাগরিকদের মর্যাদা নিশ্চিত করতে চাই। জনগন আমাদের ডাকে সাড়া দিচ্ছে। পাশাপাশি জামায়াত, এনসিপি, খেলাফত মজলিস সহ ১১ দলের নেতাকর্মীরা শাপলা কলির পক্ষে কাজ করে যাচ্ছে। ১২ তারিখ নারায়ণগঞ্জবাসী পরিবর্তনের পক্ষে তাদের রায় দিবেন ইনশাআল্লাহ।
স্পেসিফিক কারও বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ আছে কিনা এমন প্রশ্নে বলেন, স্পেসিফিক অভিযোগ আমরা রিটার্নিং কর্মকর্তা বরাবর লিখিত দিচ্ছি। পাবলিকলি আমরা কাদাছোড়াছুড়ি করতে চাইনা। কাঁদা ছোড়াছুঁড়ির রাজনীতির অবসান চাই আমরা। প্রত্যেক প্রার্থী যদি তার আচরণবিধি ফলো করেন এবং সুষ্ঠু ভাবে গণভোটের ভোটাধিকারকে সম্মান করেন, তাহলে মানুষের রায় পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। কোন আচরণবিধি লঙ্ঘন করা যাবে না, হুমকি ধামকি দেয়া যাবে না।
উপস্থিত ছিলেন মহানগর জামায়াতে ইসলামীর আমীর মাওলানা আবদুল জব্বার সহ ১১ দলীয় জোটের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।







































আপনার মতামত লিখুন :