News Narayanganj
Bongosoft Ltd.
ঢাকা রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩

আতঙ্কের জামান ও সেলিম এখন জাকির খানের দুয়ারে


দ্যা নিউজ নারায়ণগঞ্জ ডটকম | বিশেষ প্রতিনিধি প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর ৫, ২০২৬, ১০:০৩ পিএম আতঙ্কের জামান ও সেলিম এখন জাকির খানের দুয়ারে

বিগত বিএনপি সরকারের আমলে নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে এমপি থাকা সময়ে গিয়াসউদ্দিনকে ঘিরে রাখতেন জামান ও সেলিম। তারা নারায়ণগঞ্জের কেউ না। থাকেন ডেমরা এলাকাতে। তারা সেখানকার বাসিন্দা ও ভোটার। ওই সময়েই সেখানকার এমপি নবীউল্লাহ নবী বিড়াড়িত করে দেওয়ার পর ভর করে গিয়াসের ঘাড়ে। অব্যাহত বিতর্কিত কর্মকা-ের দায়ভার পরে গিয়াসউদ্দিনের উপর। পরিচিতি পায় কেরাবুন কাতিবুন হিসেবে। গত ফেব্রুয়ারীতে সংসদ নির্বাচনের পর সময়ের পরিক্রমায় তারা ফের নবীউল্লাহ নবীর এখানে ভিড়লেও সম্প্রতি এ দুইজনকে আবারো বিতাড়িত করা হয়েছে। এদেরকে এবার দেখা গেছে নারায়ণগঞ্জের সাবেক ছাত্রদল সভাপতি জাকির খানের বাসায়।

গত বছরের ৫ নভেম্বর এসএম রেজা চৌধুরী সেলিমকে আহবায়ক ও আনিসুজ্জামান জামানকে যুগ্ম আহবায়ক করে ডেমরা থানা বিএনপির কমিটি গঠন করা হয়। তবে এরই মধ্যে তারা নানা বিতর্কিত কর্মকা- করে। সংগঠনবিরোধী কর্মকা-ে জড়িত থাকার অভিযোগে ঢাকা মহানগর দক্ষিণের ডেমরা থানা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি বিলুপ্ত করা হয়েছে। গত বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক রফিকুল আলম মজনু এবং সদস্যসচিব তানভীর আহমেদ রবিন এই সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেন। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সংগঠনবিরোধী কর্মকা-ে লিপ্ত থাকার অভিযোগে ডেমরা থানা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি বিলুপ্ত করা হয়েছে।

বিএনপি নেতাকর্মীরা জানায়, গিয়াসউদ্দিন ২০০১ সালে নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের এমপি হওয়ার পর থেকে জামান ও সেলিমকে নিজের বডিগার্ডের দায়িত্ব দেয়। শুরু হয় এ দুইজনের পথচলা। ধরাকে সরা জ্ঞান করে সবকিছু নিজেদের কব্জায় নিয়ে নেয়। বিএনপির ত্যাগী নেতাদের চরম অবমূল্যায়ণ শুরু হয়। ক্রমশ গিয়াসউদ্দিন হতে দূরে যান সিনিয়র নেতারা। জামান ও সেলিম সিদ্ধিরগঞ্জ-ফতুল্লার ব্যবসায়ী, বিএনপির ত্যাগী নেতা-কর্মী ও সাধারণ মানুষের মাঝে মুর্তিমান আতঙ্ক হিসাবে বিরাজ করে। জামান ও সেলিম বাহিনীর নিয়ন্ত্রনে সিদ্ধিরগঞ্জ ও ফতুল্লা এলাকার গার্মেন্টস ফ্যাক্টরীর ঝুট বিক্রি, এলজিইডির কাজ বন্টন (টেন্ডারবাজী)। বিএনপির ত্যাগী নেতাকর্মীদের ভয়-ভীতি দেখিয়ে কোনঠাসা করে রাখতেন তারা। জামান ও সেলিমের কর্মকান্ড দেখে বিএনপির নেতাকর্মীরা ছিলেন হতবাক। রীতিমত দলীয় নেতাকর্মীরা এই দুইজনের কোনঠাসা হয়েছিল। এলাকার লোকজনও তাদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করার সাহস করেনি।