ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সামান্য ভোটে জয়ী হয়ে আলোচনায় ছিলেন নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের চারবারের নির্বাচিত এমপি আবুল কালাম। বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সদস্য জালাল হাজীর সন্তান হিসেবে ক্লিন ইমেজে প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন তিনি। ৯১, ৯৬, ২০০১ পর ২০২৬ সালে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়ী হতে ঘাম ঝরাতে হয়েছে তার। নিজ দলের নেতারাই আবুল কালামকে পরাজিত করতে দফায় দফায় পরিকল্পনা করেছিলেন। কিন্তু তার ছেলে আবুল কাউসার আশা নিজ বলয় ও বিরোধীদের নিয়ে নির্বাচনের বৈরী আবহাওয়া মধ্যে আবুল কালামকে জয়ী করিয়ে প্রশংসিত হয়েছেন।
নির্বাচিত হয়ে ১৭ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদে শপথ গ্রহণ করে দায়িত্ব পালন শুরু করেন এমপি আবুল কালাম। ছয় মাস দলের নেতাদের বিরুদ্ধে মুখ খুলেন নাই। ১ সেপ্টেম্বর বিএনপি প্রতিষ্ঠাতাবার্ষিকী পালনে বন্দরে মহানগরের নেতাদের সামনে জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে প্রথম সমালোচনা করেন। এ সময় দলের নেতাদের নাম উল্লেখ না করলেও তাদের সমালোচনা করেন।
এবার ফ্যাসিষ্ট ও বিরোধী দলের বিরুদ্ধে বিএনপির প্রতিবাদ সভায় আবুল কালাম দ্বিতীয় দফা মুখ খুলে মহানগর বিএনপিকে বার্তা দিয়েছেন বলে নেতারা জানিয়েছেন।
মহানগর বিএনপির প্রতিবাদ সমাবেশে বলেন, বিগত নির্বাচনে আমাদের ঘরে দ্বিমুখী ছিলো। একটা অংশ ছিলো তারা নামধারী ছিলো নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেনি। এই নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে লক্ষাধিক ভোটের ব্যবধানে দৃষ্টি থাকে, কিন্তু আমরা মাত্র নগণ্য ভোটে নির্বাচিত হয়েছি। তাহলে মানে বিএনপি কি ছোট দল। এগুলো বলার কারণ হলো আগামী উপজেলা সিটি কর্পোরেশন ও ইউপি নির্বাচনে এই খেলাটা আবারো খেলতে চাইবে। এগুলো নিয়ে আমাদের সজাগ হতে হবে। এখনই আপনাদের দোসর চিনতে হবে, কারা আপনার আপন আর কারা আপনার পক্ষে থাকবে না। দল আর সংগঠন যদি ঠিক না থাকে তাহলে নির্বাচন কিন্তু সহজ হবে না।
জানা গেছে, নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপি কমিটি গঠনে এবার আবুল কালামকে প্রাধান্য দিতে যাচ্ছে কেন্দ্র। ক্লিন ইমেজে এই নেতাকে আবারো দলীয় মনোনয়ন দিয়ে তাকে মূল্যায়ন করেছে দল। দলের প্রত্যাশিত ভোটে বিজয়ী হতে না পারলেও দলের বিরোধীদের নিয়ে সমালোচনা করেছেন জয়ের ছয় মাস পর। আসন্ন সিটি কর্পোরেশন, ইউপি ও উপজেলা নির্বাচন ঘিরে মহানগর বিএনপিতে পরিক্ষীত নেতাদের মূল্যায়ন করার দাবি উঠেছে। সেই দাবি সাথে এমপির বক্তব্যের মধ্যে উঠে আসায় মহানগর বিএনপিতে শুরু হয়েছে আলোচনা সমালোচনা।





































আপনার মতামত লিখুন :