১৪ নভেম্বর ফিরছে শামীম ওসমান, এমন সংবাদে হঠাৎ শহর সহ বিভিন্ন এলাকায় তার অনুসারীদের তৎপরতা বৃদ্ধি পেয়েছে। নিষিদ্ধ আওয়ামীলীগের ব্যানারে বদলে যুবলীগের নামে রাজপথে দেখা যাচ্ছে আজমেরি ওসমান ও সাফায়েত আলম সানির অনুসারীরা। অন্যদিকে রাজপথে মিছিল ও গ্রেপ্তার হলেই পাবে আগামীতে জেলা মহানগর যুবলীগের পদ। এমন সংবাদে জাতীয় পার্টির অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীরা এখন রাজপথে নেমেছে। এদিকে জেলা মহানগর যুবলীগ কমিটির প্রত্যাশিত নেতা-কর্মীরাও অনুসারীদের নিদের্শ রাজপথে ফিরছেন।
ইতোমধ্যে ১৭ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে ফতুল্লার ইসদাইর এলাকা থেকে জেলা ছাত্রসমাজের সভাপতি ও কেন্দ্রীয় ছাত্রসমাজের সাবেক সহসভাপতি শাহাদাৎ হোসেন রুপুকে গ্রেফতার করেছে ফতুল্লার পুলিশ। আত্মগোপনে থাকা আজমেরি ওসমানের নিদের্শনায় ছাত্র সমাজের নেতা-কর্মীদের দিয়ে যুবলীগের ব্যানারে মিছিল মিটিংয়ে করিয়েছে রুপু। যার কারণে বিগত সময় ও বর্তমানে শহর বন্দর সহ আশেপাশে এলাকায় আজমেরি ওসমানের ব্যানারে যুবলীগের মিছিল ছিলো তৎপর।
অপরদিকে নারায়ণগঞ্জে আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীদের মিছিল ও মিছিলের প্রস্তুতিকে কেন্দ্র করে পুলিশের ধরপাকড়ের মধ্যেই রূপগঞ্জে যুবলীগের ব্যানারে মিছিল হয়েছে। একটি রায়ের বিরুদ্ধে রূপগঞ্জের পূর্বাচল ৩০০ ফিট এলাকায় উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক মাসুম চৌধুরী অপুর নেতৃত্বে এ মিছিল বের করা হয়। মিছিলে অংশ নেওয়া নেতা-কর্মীরা ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’, ‘শেখ হাসিনা আসবে, বাংলাদেশ হাসবে’, ‘চলছে লড়াই, চলবে শেখ হাসিনা লড়বে’সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন। মিছিলের একটি ভিডিও ইতিমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।
নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীদের মিছিল এবং পুলিশের অভিযানের ঘটনা ঘটেছে। গত কয়েক দিনে ঘোষিত আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ ও সহযোগী সংগঠনের মিছিলের প্রস্তুতির সময় ১৫ জনকে আটক করা হয়। এর আগে লাঙ্গলবন্দ এলাকায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে আওয়ামী লীগের ব্যানারে ঝটিকা মিছিলের ঘটনায় ১১ জনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এসব ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন এলাকায় পুলিশের তৎপরতাও বাড়ানো হয়েছে।
১৪ সেপ্টেম্বর শহরের প্রধান সড়ক বঙ্গবন্ধু সড়কে যুবলীগের নেতা-কর্মীরা মিছিল করেন। ফতুল্লার ইসদাইর এলাকায় ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ পুরোনো সড়কে আবারও মিছিল করে মহানগর আওয়ামী যুবলীগ। মহানগর আওয়ামী যুবলীগের ব্যানারে আয়োজিত ওই মিছিলে অর্ধশতাধিক নেতা-কর্মী অংশ নেন। তাঁদের সবার মুখে মাস্ক ও মাথায় ক্যাপ ছিল। মিছিলের ছবি ও ভিডিও পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকেও বিশেষ তৎপরতা দেখা গেছে। এর আগে ওই এলাকায় জেলা পুলিশ সুপার মো. হাবিবুর রহমানের নেতৃত্বে মধ্যরাত পর্যন্ত চেকপোস্ট পরিচালনা করা হয়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও পুলিশ এ বিষয়ে তৎপর রয়েছে। সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করে মিছিলের সাথে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করার কাজ চলছে এবং তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছে।




































আপনার মতামত লিখুন :