নারায়ণগঞ্জ শহরের মিশনাপাড়া এলাকায় হকার্স মাকেটের পেছনে শুভ দাস ওরফে মো. বিল্লাল (৩০) হত্যার ঘটনায় প্রধান আসামি অনিকের বাবা ও মা সহ ৪জনকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলো অনিকের মা ফাতেমা বেগম ওরফে ফতে (৬৫), অনিকের বাবা ইসলাম (৭০), শাওন (২৭) ও মো. বিশুকে (২৬)।
অনিকের মা ফাতেমা বেগম ওরফে ফতের বিরুদ্ধে ৩০টির বেশি মাদক মামলা রয়েছে ও বাবা ইসলাম বিরুদ্ধের সদর মডেল থানার গত ৩ সেপ্টেম্বরের একটি মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
সোমবার ২৮ সেপ্টেম্বর ভোর সাড়ে ৪টার দিকে বন্দরের কলাবাগান জাকির শাহ অক্সিজেন ফ্যাক্টরি এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়। অভিযানে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত বলে দাবি করা একটি বার্মিজ চাকু এবং বিশুর রিকশা চালনার প্রমাণপত্রের রেজিস্টার উদ্ধার করা হয়েছে।
গ্রেপ্তার ফাতেমা বেগম ওরফে ফতে ও তার স্বামী ইসলাম নারায়ণগঞ্জ শহরের আমলাপাড়া কেবি সাহা বাইলেনের বাসিন্দা। শাওনও একই এলাকার বাসিন্দা। বিশু বন্দরের কলাবাগান জাকিরশাহ অক্সিজেন ফ্যাক্টরি মাঠ এলাকার মৃত কদম আলীর ছেলে।
পুলিশ জানায়, গত ৫ সেপ্টেম্বর রাত দেড়টার দিকে সদর থানার হকার্স মার্কেটের পেছনে দুর্গামলের সামনে রাস্তা থেকে গুলিবিদ্ধ ও ছুরিকাঘাতে রক্তাক্ত অবস্থায় শুভ চন্দ্র দাসের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তিনি শহরের গলাচিপা এলাকার হরি চন্দ্র দাসের ছেলে। এ ঘটনায় নিহতের বাবা বাদী হয়ে সদর মডেল থানায় হত্যা মামলা করেন।
ঘটনার তদন্তে নেমে ডিবি পুলিশ ২৪ ঘণ্টার মধ্যে হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে তিনজনকে গ্রেপ্তার করে। তাদের মধ্যে দুজন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। সুমন নামে এক আসামিকে পাঁচ দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের পর তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ। পরে নরসিংদী থেকে ধিমন নামে আরও একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশের দাবি, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মাদক ব্যবসা নিয়ে পূর্ববিরোধের জেরে হত্যাকাণ্ডটি সংঘটিত হয়েছে বলে তথ্য পাওয়া গেছে। এ ছাড়া জমি নিয়ে বিরোধ এবং ফাতেমার বাসায় মাদকবিরোধী পুলিশি অভিযানের পেছনে শুভর ভূমিকা রয়েছে এমন সন্দেহ থেকেও বিরোধ তৈরি হয়েছিল বলে পুলিশ জানিয়েছে।






































আপনার মতামত লিখুন :