গ্রামীণ কৃষি-জীবনযাত্রায় এখন পরিবর্তনের ছোঁয়া। অধিক লাভ এবং চাহিদা বৃদ্ধির কারণে জেলার কৃষকরা এখন ‘মিশ্র ফসল’ বা ‘রিলে ক্রপ’ পদ্ধতিতে সবজি চাষে অত্যন্ত আগ্রহী হয়ে উঠেছেন। নারায়ণগঞ্জে মিশ্র সবজি চাষে কৃষকের আগ্রহ বাড়ছে। শীতের আগাম সবজি হিসেবে তারা এখন একই জমিতে একাধিক ফসল চাষ করছেন।
জানা গেছে, নারায়ণগঞ্জের সদর, সোনারগাঁ, আড়াইহাজার ও রূপগঞ্জ উপজেলার গ্রামীণ জনপদে এখন সবুজের সমারোহ। রাস্তার ধারের ক্ষেতগুলোতে দেখা যাচ্ছে একই জমিতে চাষাবাদ হচ্ছে একাধিক ফসলের। ফলন ভালো পাওয়ায় মিশ্র পদ্ধতিতে সবজি আবাদে ঝুঁকছে কৃষকরা।
সরেজমিনে নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার বক্তাবলীতে দেখা যায় এমন চিত্র। টমেটোর সঙ্গে মুলা, পালংশাক ও ধনেপাতা, মরিচের সঙ্গে ফুলকপি কিংবা বাঁধাকপি, বেগুনের সঙ্গে মরিচ, আলুর সঙ্গে মরিচ ইত্যাদি একযোগেই চাষাবাদ করছে এসব অঞ্চলের কৃষক। একসঙ্গে একই জমিতে দুই ধরনের সবজি চাষ করলেও ফলনে কোনো প্রভাব পড়েনা। মিশ্র পদ্ধতিতে তাদের আয়ও বাড়ছে। আধুনিক প্রযুক্তি নানাবিধ পদ্ধতি ব্যবহারে বাংলাদেশের কৃষিখাত আরো সমৃদ্ধি হবে এই প্রত্যাশা সকলের।
কৃষকরা বলছেন, একই জমিতে একাধিক ফসল চাষবাদ বেশ লাভজনক। এভাবে চাষ করলে বাড়তি কিছু আয় হয়। তবে সার ও কিটনাশকের দাম বাড়ায় তারা লোকসানের আশঙ্কা করছেন।
সদর উপজেলার কৃষি অফিসার মাহমুদা হাসনাত জানান, লাভজনক হওয়ায় কৃষকরা এই পদ্ধতিতে ঝুঁকছেন। গত বছরের তুলনায় এবার মিশ্র আবাদের পরিমাণ বেড়েছে। তারা কৃষকদের এই লাভজনক পদ্ধতিতে চাষাবাদে আধুনিক প্রযুক্তির বিষয়ে নিয়মিত উদ্বুদ্ধ করছেন।









































আপনার মতামত লিখুন :