নারায়ণগঞ্জ শহরের কিল্লারপুলে অবস্থিত ডিপিডিসি অফিসে কর্মকর্তাদের চরম গাফিলতির চিত্র ফুঁটে উঠেছে একজন গ্রাহকের ফেসবুক স্ট্যাটাসে।
ফ্যাশন হাউজ নকশার স্বত্তাধিকারী এটিএম জামাল লিখেন, আজ বিদ্যুত অফিস গিয়েছিলাম। বিল জমা দেয়ার জন্য। গত মাসের বিল ভুলে দেরীতে দেওয়ার জন্য ঝামেলা বাঁধে। দুই মাসের বিল এক সাথে চলে আসে। ফলে বিকাশে দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। আমি গেলাম কেল্লারপুল বিদ্যুত অফিসে। দৌড়ে বিল জমা দেয়ার কাউন্টারে গেলাম।
কাউন্টারে উপস্থিত ভদ্রলোক বললেন, দোতলা থেকে বিল কারেকশন করে নিয়ে আসেন। তাড়া ছিলো বলে আবারও দৌড় দোতলার অফিসে। বিশাল অফিসে অসংখ্য কক্ষ কিন্তু একজনও টেবিলে নেই। একজন বের হয়ে যাচ্ছেন, তাকে জিজ্ঞাসা করে জানতে পারি সবাই নামাজে গেছেন। তখন ঘড়িতে দুপুর ১:২০ মিনিট। কিন্তু প্রতিটি কক্ষে লাইট জ্বলছে। ফ্যান ঘুরছে। একটিতে এসি চলছে। অপচয় পাপ। আরও জানি অপচয় করে শয়তানের দোসর। তাহলে পাপ করে তাদের পূণ্য কামানোর চেষ্টা বিস্ময়কর নয়? একদিকে পাপ চলমান। অন্যদিকে পূণ্য কামানোর চেষ্টা! তাদের পূণ্য কি আসলেও হয়? দৃশ্যমান পাপাচারে ব্যক্তির আরও দোষ থাকার কথা। তাই না?’
ঘটনার এখানেই শেষ নয়। আধা ঘন্টা পর সিকিউরিটি কাছ থেকে জানলাম, আমার বিল কারেকশন এখানে হবে না। তার জন্য যেতে হবে নিচে কাঁঠালতলা। রাগে ক্ষোভে আমি বাকশূন্য হয়ে গেলাম। আর দৌড় নয়। আস্তে ধীরে গেলাম সেখানে। ওখানে গিয়ে শোনলাম এখানকার সবাই খেতে গেছেন। আমার আর কিছু বলার থাকে না।








































আপনার মতামত লিখুন :