নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক ও মহানগর বিএনপি আহবায়ক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান বলেছেন, সিটি কর্পোরেশনের ১নং ওয়ার্ডে ১২ জন, ২নং ওয়ার্ডে একজনও সনাক্ত হয়নি, ৩নং ওয়ার্ডে ৬৯জন সনাক্ত করা হয়েছে। তার মানে ৩নং ওয়ার্ডটি রেড জোন। অন্যদিকে ৪, ৫ ও ৬নং ওয়ার্ডে জুন থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত একজন রোগীকেও সনাক্ত করা যায়নি। সেই জন্য ১৫জন মশক নিধন কর্মীদের কাজে সন্তোষ হয়ে সিটি কর্পোরেশন থেকে ১ হাজার করে ও সুইপারভাইজারকে ২ হাজার টাকা পুরস্কৃত করা হলো। অন্যান্য ওয়ার্ডে তিনটি ওয়ার্ডে রোগী শূণ্য রাখতে পারেনি। ৭নং ওয়ার্ডে সনাক্ত হয়নি রোগী, ৮নং ও ৯নং ওয়ার্ডে রোগী সনাক্ত করা হয়েছে। অপরদিকে বন্দর অঞ্চলের ২৬নং ওয়ার্ডে সনাক্ত হয়নি, ২৫ ও ২৭নং ওয়ার্ডে রোগী সনাক্ত করা হয়েছে।
১৫ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার বেলা ১১টায় নাসিকের সভাকক্ষে ডেঙ্গু সহ মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে ২৭টি ওয়ার্ড ভিত্তিক হ্যান্ড স্প্রে মেশিন, হ্যান্ড মাইক ও মশক নিধন কর্মীদের সুরক্ষা সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, ওয়ার্ড সচিব ও সুইপারভাইজার সহ মশক নিধন কর্মীদের উপর বড় দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। আপনারা যদি ডেঙ্গু প্রতিরোধে সবোর্চ্চ দিতে পারেন সবাইকে পুরস্কৃত করা হবে। আজকে একজন সুইপার ভাইজার ও ১৫ জন মশক নিধন কর্মীদের পুরস্কার দেয়া হয়েছে, আপনাদের দেয়া হবে কাজের মূল্যায়নে।
এ সময় নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মো. নূর কুতুবুল আলম, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. আজগর হোসেন, মেডিকেল অফিসার ডা. মোস্তফা আলী সহ ২৭টি ওয়ার্ডের সচিব, সুইপারভাইজার ও মশক নিধন কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।


























-20260912144331.jpg)









আপনার মতামত লিখুন :