News Narayanganj
Bongosoft Ltd.
ঢাকা বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩

গণপিটুনিতে সিজানের মৃত্যু আলেমদের মামলা প্রত্যাহার না হলে আন্দোলন


দ্যা নিউজ নারায়ণগঞ্জ ডটকম | স্টাফ রিপোর্টার প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬, ০৮:২৭ পিএম গণপিটুনিতে সিজানের মৃত্যু আলেমদের মামলা প্রত্যাহার না হলে আন্দোলন

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার পশ্চিম মাসদাইর এলাকায় সিজান (২২) নামে এক যুবককে ‘ছিনতাইকারী’ আখ্যা দিয়ে গণপিটুনিতে হত্যার অভিযোগের ঘটনায় ‘আল ফালাহ সমাজ কল্যাণ সংগঠন’ নেতাদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা প্রত্যাহারের দাবী জানানো হয়েছে। নারায়ণগঞ্জ জেলা ও মহানগর হেফাজত ইসলামের পক্ষ থেকে জেলা সভাপতি ও কেন্দ্রীয় নায়েবে আমীর মাওলানা আব্দুল আউয়াল এই দাবী জানিয়েছেন। অন্যথায় মামলা প্রত্যাহার করা না হলে কঠোর আন্দোলনে যাওয়ার কথা বলা হয়েছে।

মাওলানা আব্দুল আউয়াল বলেন, এলাকাবাসীর গণপিটুনিতে ছিনতাইকারী মাদক ব্যবসায়ী সিজানের মৃত্যু হয়েছে। আর সেখানে আমাদের কয়েকজন ইমাম ভাইদের নামে মামলা করে অহেতুক হয়রানি করা হচ্ছে। আমি এই মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবী করছি। গণপিটুনিতে মারা গেছে। তাদেরকে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করেছে। প্রশাসন, এসপি সহ রাজনৈতিক নেতবৃন্দ সকলের কাছে উদাত্ত আহ্বান করবো উলামায়ে কেরামকে এ বিষয়ে যেন হয়রানি করা না হয়। মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করবেন।

তিনি আরও বলেন, যদি এই মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার না করেন আর মাদকের বিরুদ্ধে কথা বলেন; তাহলে আমরা বুঝবো উপড় দিয়ে মাদকের বিরুদ্ধে কথা বলেন আর মাদকের সহযোগিতা করছেন। যদি মামলা প্রত্যাহার করা না হয় তাহলে হেফাজতের পক্ষ থেকে কঠোর প্রতিবাদ আসবে এমনকি কঠোর আন্দোলনও আসতে পারে। আমাদের সবিনয় অনুরোধ যেন মামলাটি প্রত্যাহার করা হয়। মাদকাসক্তদের যেন সহযোগিতা করা না হয়।

এর আগে গত ৪ জুলাই  শনিবার রাতে সিজানকে মোবাইল ফোন ছিনতাইয়ের অভিযোগে হাত-পা বেঁধে মারধরের পর গুরুতর আহত অবস্থায় খানপুর ৩০০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পরবর্তীতে এই ঘটনায় ‘আল ফালাহ সমাজ কল্যাণ সংগঠন’কে জড়ানো হয়।

তবে সংগঠনের নেতাদের অভিযোগ, সিজানকে পরিবারের কাছে পৌঁছে দেওয়ার পর তার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে বড় ভাই বাবুর নেতৃত্বে একটি কিশোর গ্যাং তাদের কার্যালয় ও আশপাশের দোকানপাটে ভাঙচুর চালায়। এর প্রতিবাদে তারা এলাকায় মিছিলও করেন।

সংগঠনের নেতারা দাবি করেন, তারা সবসময় আইন মেনে কাজ করেন এবং অতীতে অপরাধীদের ধরেও পুলিশের হাতে সোপর্দ করেছেন। এ ঘটনায়ও একই চেষ্টা করা হয়েছিল বলে তারা জানিয়েছেন।