নারায়ণগঞ্জ শহরের চাষাঢ়ায় হকার্স মার্কেটে শুভ নামের যুবক খুনের ঘটনায় ব্যবহৃত অস্ত্র উদ্ধার করেছে ডিবি। ৮ সেপ্টেম্বর রিমান্ডে থাকা আসামী সুমন ওরফে মাইগ্যা সুমনের দেওয়া তথ্য মতে রামকৃষ্ণ মিশনের সামনে থেকে অস্ত্রটি উদ্ধার করা হয়।
৪ সেপ্টেম্বর গভীর রাতে শুভ দাসকে ডেকে এনে হত্যা করা হয়। ওই ঘটনায় সুমন, সিজান ও সোহানকে গ্রেপ্তার করে ডিবি। রিমান্ডে থাকা সুমন হত্যাকান্ডের ব্যাপারে চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রদান করে। তার দেওয়া তথ্য মতে ডিবি অভিযান শুরু করে। অভিযানে রামকৃষ্ণ মিশনের সামনের গাছের ঝোপ থেকে একটি সাদা রঙয়ের বাজারে ব্যাগে রিভলভার উদ্ধার করা হয়। শুভকে এ রিভলভার দিয়েই গুলি করে হত্যা করা হয়েছিল জানিয়েছেন সুমন।
নিহত শুভ দাসের মরদেহে ১০০ পিস ইয়াবা ও ৫টি গুলি খোসা উদ্ধার করেছিলো পুলিশের তদন্তকারী টিম। একই সাথে দেহে একাধিক ছুরিকাঘাতে করা হয়েছে মারা যাবার আগে।
জানা গেছে, আমলাপাড়ায় ২৫টি অধিক মাদকের মামলার আসামী ফাতেমা বেগম ওরফে ফতে বাড়িতে ৩ সেপ্টেম্বর অভিযান চালায় ডিবি। অভিযানে ১ হাজার ৫০০ গ্রাম গাঁজা, পাঁচটি দেশীয় অস্ত্র ও একটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়। ফতে, তার ছেলে অনিক ও সুজনকে আসামি করে এ ঘটনায় সদর মডেল থানায় পৃথক দুটি এজাহার দায়ের করেন ডিবির এসআই মফিজুল ইসলাম।
এই অভিযানের পেছনে গলাচিপার মাদক ব্যবসায়ী শুভ দাসকে সন্দেহ করে ফতে’র ছেলে অনিক ও তার অনুসারীরা। এর জের ধরে পরদিন শনিবার রাত আনুমানিক ১টায় চাষাঢ়া হকার্স মার্কেটের পিছনে দুর্গামন্দিরের সামনে শুভ দাসকে ছুরিকাঘাত ও গুলি করে। পরে পুলিশ বুকে মাথায় গুলি ও শরীর বিভিন্ন স্থানে চাকুর আঘাতে ক্ষত-বিক্ষত লাশ উদ্ধার করে।
পুলিশ প্রাথমিক তদন্তের সূত্রে জানা গেছে, হত্যা ও মাদকের ৭টি মামলার আসামী অনিক ও সুমন নেতৃত্বে শুভ দাসকে হত্যার পরিকল্পনা করা হয়। সেই অনুযায়ী ঘটনার দিন ১০টি ইয়াবা ট্যাবলেটের বিনিময়ে শুভ’র সহযোগী সোহানকে ব্যবহার করে ঘটনাস্থলে ডেকে আনা হয়। পরবর্তীতে অনিক ও অহিদের নেতৃত্বে ১০/১২ জনের একটি দল শুভকে হত্যাকা-ে অংশ নেয়। এ সময় অনিক ও অহিদ শুভকে গুলি করে এবং অন্যান্য সহযোগীরা চাকু দিয়ে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে।



































আপনার মতামত লিখুন :