ছুটির দিন ছাড়া নারায়ণগঞ্জ শহরের প্রধান সড়কগুলোতে যানজট লেগেই থাকতো। যানজটের কারণে চরম ভোগান্তিতে থাকা নগরবাসী দুইদিন ধরে অন্যরকম এক নগর দেখছে। অটো রিকশা, মিশুকের সংখ্যা কমে গেছে। এ কারণে যানজটও কমে গেছে অনেকাংশ। ৪ অক্টোবর থকে শহরে ডিজিটাল প্লেট ছাড়া রিকশার প্রবেশে কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে। সেদিন নিজেই মাঠে নামেন সিটি করপোরেশনের প্রশাসক সাখাওয়াত হোসেন খান। এর পর থেকেই শহরে প্লেটবিহীন রিকশার প্রবেশ অনেকাংশ বন্ধ হয়ে গেছে।
সেটার সুফল ভোগ করছে নগরবাসী। যানজট কমে গিয়ে ভোগান্তি কমেছে।
এদিকে ৫ অক্টোবরও বিভিন্ন স্পটে অভিযান পরিচালিত হয়। ফলে যানজট অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে ছিলো।
নাসিক প্রশাসক অ্যাডডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান জানান, নাসিকের তিনটি অঞ্চলে অটোরিকশা চলাচলে কিইউআর কোড সম্বলিত ডিজিটাল নাম্বার প্লেট দেয়া হয়েছে। এসব নাম্বার প্লেট ছাড়া যেসব অটোরিকশা চলাচল করবে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। শহরের ৬টি পয়েন্টে আনসার সদস্য, যানজট নিরসন কর্মী ও উচ্ছেদ কর্মীসহ মোট ১৮০ জন কাজ করবে। তাদেরকে সহযোগিতায় পুলিশের টিম রয়েছে।
এদিকে শহরের বিভিন্ন স্পট ঘুরে নাসিকের উচ্ছেদ কর্মীদের যানজট নিরসনে ডিজিটাল নাম্বার প্লেট বিহীন অটোরিকশা নিয়ন্ত্রণ করতে দেখা গেছে। উচ্ছেদ কর্মীদের পাশাপাশি আনসার বাহিনীর সদস্যদেরকেও দায়িত্ব পালন করতে দেখা গেছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, যে সব চাঁনমারি এলাকায় দায়িত্বরত আনসার সদস্য ও উচ্ছেদ কর্মীদের চলাচলকারী চাষাঢ়ার দিকে আসা অটোরিকশা যেগুলোর ডিজিটাল নাম্বার নাই তাদেরকে লিংক রুট থেকে নাগিনা জোহা সড়কের দিকে ঘুরিয়ে দিয়েছে।


































আপনার মতামত লিখুন :