নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় গ্যাসের লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে দগ্ধ হয়ে দুদিন আগে নরসুন্দর মিন্টুর মৃত্যুতেও টনক নড়েনি তিতাস গ্যাস কর্মকর্তাদের। বৃহস্পতিবার ১৯ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যার পর ফের একই স্থানে গ্যাসের লিকেজ থেকে বিস্ফোরণ ঘটে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটে। বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে আশপাশের কয়েকটি দোকানে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। এতে একটি কাপড়ের দোকানে আগুন ধরে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। তারপাশে আরেকটি চা পানের দোকানও আগুনে পুড়ে ক্ষতি হয়েছে। ফতুল্লার সস্তাপুর এলাকায় অবস্থিত ঢাকা টেক্সটাইল মিলস সংলগ্ন কাদির মিয়ার মার্কেটের সামনে ড্রেনের ভিতর দিয়ে যাওয়া তিতাস গ্যাসের সংযোগ লাইনে এঘটনা ঘটে।
এলাকাবাসী জানান, প্রথম ইফতারের পরপরই ড্রেনের ভিতর থেকে বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে চারপাশে গ্যাসের আগুন ছড়িয়ে পড়ে। তখন বিস্ফোরণের কাছে ওয়াজ উদ্দিনের কাপড়ের দোকানে ও আক্কাস মিয়ার চা পানের দোকানে আগুন ধরে যায়। এসময় আশপাশের কলকারখানা থেকে অগ্নিনির্বাপক একাধীক সিলেন্ডার এনে ও পানি দিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রন করা হয়। এসময়ের মধ্যে দুটি দোকানেরই আগুনে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়।
এলাকাবাসীর অভিযোগ সস্তাপুর গাবতলা মোড় থেকে কাস্টমের মোড় পর্যন্ত সড়কের পাশ দিয়ে ড্রেনের মাঝখান দিয়ে তিতাস গ্যাসের লাইন রয়েছে। এ স্থানের একাধিক জায়গায় লিকেজ থেকে দীর্ঘদিন ধরেই গ্যাস বের হচ্ছে। এতে প্রায় সময় গ্যাসের লিকেজ থেকে বিস্ফোরণ ঘটে পথচারী থেকে শুরু করে আশপাশের বাড়ি ঘর ও কলকারখানার ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। এবিষয়ে একাধীকবার তিতাস গ্যাস আঞ্চলিক শাখায় অভিযোগ করেও কোন সুফল পায়নি বলে এলাকাবাসী অভিযোগ করেন। এরমধ্যে ১৩ ফেব্রুয়ারি বিকেল ৫টার দিকে লিকেজ থেকে বিস্ফোরণ ঘটে সেলুন মালিক নরসুন্দর মিন্টু সহ ৫জন দগ্ধ হয়। তাদের মধ্যে ৫ দিন ঢাকা জাতীয় বার্ন এন্ড প্লাস্টিক সার্জারী ইন্সটিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় থাকার পরে গত মঙ্গলবার বিকেলে মারা যান মিন্টু। এলাকাবাসী দ্রুত তিতাস গ্যাসের লিকেজ মেরামত করার দাবি জানান।
তিতাস গ্যাস ফতুল্লা অঞ্চলের ম্যানেজার আতিকুর রহমান জানান, খবর পেয়ে জরুরি টিম পাঠানো হয়েছে। এবিষয়ে ব্যবস্থা নেয়া হবে।




































আপনার মতামত লিখুন :