বন্দরে মুদি দোকান থেকে চাল কিনে বাড়ী ফেরার পথে সন্ত্রাসী হামলায় মাদ্রাসা ছাত্র ইফরান (১৬) মারাত্মক জখম হয়েছে। আহত ইফরান বন্দর থানার সোনা বিবি রোডস্থ সোনাকান্দা চৌধুরীপাড়া এলাকার তারা মিয়ার ছেলে। সে সোনাকান্দা ইসলামিয়া মদিনাতুল উলুম মাদ্রাসার ছাত্র।
স্থানীয়রা আহতকে জখম অবস্থায় উদ্ধার করে বন্দর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রেরণ করেছে।
মঙ্গলবার (৭ জুলাই) দুপুর সাড়ে ১২টায় বন্দর থানার সোনাকান্দা বিএনডিডব্লিউ উচ্চ বিদ্যালয় সংলগ্ন মুদির দোকানের সামনে এ সন্ত্রাসী হামলার ঘটনাটি ঘটে। এ ব্যাপারে আহতের মা নাসরিন বেগম বাদী হয়ে ঘটনার ওই দিন বিকেলে হামলাকারি রাফি ও তার পিতা নাজির এবং স্কুল ছাত্র লামিয়াদকে আসামী করে বন্দর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করে।
অভিযোগের বাদিনী গণমাধ্যমকে জানান, আমার ছেলে ইফরান সোনাকান্দা ইসলামিয়া মদিনাতুল উলুম মাদ্রাসায় লেখাপড়া করে আসছে। মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ১২টায় বাদিনীর ছোট ছেলে মোঃ ইফরান (১৬) বন্দর থানাধীন সোনাকান্দা বিএনডিডব্লিউ উচ্চ বিদ্যালয় সংলগ্ন মুদির দোকানে চাউল ক্রয় করে বাসায় ফেরার পথে বন্দর ঘাটস্থ কাঠপট্রি এলাকার নাজির মিয়ার ছেলে রাফি ও একই এলাকার নাসির মিয়ার ছেলে সোনাকান্দা বিএনডিডব্লিউ উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণীর ছাত্র লামিয়াদ বাদিনীর ছেলেকে পথরোধ করে আমাদের পাশের এলাকার মোঃ রাফি (১৭) এর সন্ধান জানতে চায়। ওই সময় বাদিনীর ছেলে ইফরান বিবাদীদের সন্ধান দিতে অস্বীকার করিলে ওই সময় ১নং বিবাদী রাফি ও ২নং বিবাদী লামিয়াদ ক্ষিপ্ত হয়ে তাদর সাথে থাকা দেশিয় অস্ত্র সুইচ গিয়ার বের করে গিয়ারের উল্ট পিঠ দিয়ে বাদিনীর ছেলে ইফরানকে মাথায় আঘাত করে গুরুত্বর কাটা রক্তাক্ত জখম করে এবং ৩নং বিবাদী নাজির বাদিনী ছেলেকে এলোপাতারি ভাবে কিলঘুষি মেরে নিলাফুলা জখম করে আমার ছেলের গলায় থাকা স্বর্ণের চেইন ও রূপার ব্যাচলেট জোরপূর্বক ভাবে ছিনিয়ে নেয়।





































আপনার মতামত লিখুন :