শনিবার ২৪ জানুয়ারি গণসংহতি আন্দোলন নারায়ণগঞ্জ জেলা নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক মো. বিপ্লব খান ও সদস্য সচিব আলমগীর হোসেন আলম সংবাদমাধ্যমে এক যৌথ বিবৃতি প্রদান করেন।
নেতৃবৃন্দ বলেন, প্রচারণার ক্ষেত্রে অধিকাংশ প্রার্থীরাই আচরণবিধির পরোয়া করছেন না। এবারের নির্বাচন কমিশন পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর পিভিসি ব্যানার, পোস্টারের ব্যবহার নিষেধ সহ বিভিন্ন স্থাপনায় ব্যানার-বিলবোর্ড সাঁটানোর বিষয়ে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিলেন। এসব প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গুলোকে আমরা সাধুবাদ জানিয়েছিলাম। কিন্তু এখন যখন অধিকাংশ প্রার্থীরাই এগুলোকে কেয়ার করছেন না বরং কেউ কেউ এক প্রতীকের ব্যানার খুলে অন্য প্রতীকের ব্যানার ঝুলাচ্ছেন তখন আমরা নির্বাচন কমিশনকে নীরব ভূমিকায় অবতীর্ণ হতে দেখছি। আমরা বারবার লিখিত ও মৌখিকভাবে অভিযোগ জানালেও এগুলো অপসারণ হচ্ছে না।
তারা আরও বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে শুধুমাত্র একটি সাধারণ নির্বাচন হিসেবে আমরা দেখছি না। একটি রক্তাক্ত অভ্যুত্থান শেষে এ নির্বাচন অনেক দায় এবং দায়িত্ব নিয়ে এসেছে। এই নির্বাচনের উপর অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নের ব্যাপার যুক্ত রয়েছে। এই নির্বাচন ঠিক করে দিবে আগামী বাংলাদেশ কিভাবে চলবে। তাই এবারের নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠুভাবে সম্পাদন হওয়া সমগ্র বাংলাদেশের চাওয়া। আমরা নির্বাচন কমিশনকে বলবো তাদের দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে। সকলকে আচরণবিধি পালনে বাধ্য করতে। অন্যথায় এভাবে চলতে থাকলে দেশের মানুষের গণআকাঙ্ক্ষা পূরণে এই কমিশন ব্যর্থ হবে। যা হবে বাংলাদেশকে আরেকটি গভীর সংকটের দিকে ঠেলে দেয়া। তাই তাদের নিরপেক্ষতা ও কঠোরতাই পারে এ সকল কিছুকে অতিক্রম করে একটি সুন্দর নির্বাচন উপহার দিতে। যা সময়ের চাহিদাকেই পূরণ করবে।


































আপনার মতামত লিখুন :