নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির ২০নং ওয়ার্ডে গণসংযোগ করে ধানের শীষের ভোট চেয়েছেন নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে মনোনীত প্রার্থী ও সাবেক তিন বারের এমপি অ্যাডভোকেট আবুল কালাম। এ সময় তার দুই পাশে দুই কাউন্সিলর (শাহেনশাহ আহম্মেদ ও গোলাম নবী মুরাদ) ও বন্দর থানা বিএনপি সাবেক আহবায়ক পনেছ আহম্মেদ ছিলেন। এমন দৃর্শ্যপটে সোনাকান্দায় দুই পক্ষের অনুসারীদের উল্লাসে আনন্দময় পরিবেশ সৃষ্টি হয়। দীর্ঘ দিন যাবৎ চাচা গোলাম নবী মুরাদের সাথে দ্বন্দ্বে ছিলেন ভাতিজা শাহেন শাহ আহম্মেদ।
জানা যায়, ২৩ জানুয়ারি শুক্রবার দুপুর ৩টায় সোনাকান্দা ডর্কইয়াডের সামনে ২০নং ওয়ার্ডের বিভিণ্ন এলাকায় প্রচারণায় আসেন আবুল কালাম। তাকে ফুলের তোড়া দিয়ে এক সাথে নির্বাচনে ওয়াদা দিয়ে এগিয়ে যান বন্দর থানা বিএনপি সভাপতি শাহেনশাহ আহমেদ ও ২০নং ওয়ার্ড বিএনপি সাবেক সভাপতি গোলাম নবী মুরাদ। এর পরপরই একটি রিক্সা আবুল কালাম দুইজনকে দুই পাশে ও ছেলে মহানগর বিএনপি যুগ্ম আহবায়ক আবুল কাউসার আশাকে নিয়ে প্রচারণা শুরু করেন। প্রচারণায় ধানের শীষে ভোটের আহবানের সাথে সাথে শাহেনশাহ ও মুরাদের ধানের শীষ স্লোগানে মুখরিত হয়ে উঠে ওয়ার্ডের পাড়া মহল্লাগুলো। এতে সাবেক দুই কাউন্সিলর নিজেদের অবস্থান রেখেই আবুল কালামের পাশাপাশি তারাও দুই হাত নেড়ে ভোট চান ভোটারদের কাছে।
দড়ি সোনাকান্দা বাবা আবুল কালামের রিক্সা থেকেই ‘লাগালে লাগা ধান লাগা’ স্লোগান তুলেন ছেলে আবু কাউসার আশা। এতে উপস্থিত বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দরা স্লোগানে মুখরিত করে তুলেন।
উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচনে ২০নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর নির্বাচিত হন তৎকালীন বিএনপি ওয়ার্ড কমিটির সভাপতি গোলাম নবী মুরাদ। পরবর্তিতে ২০২২ সালের নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচনে ২০নং ওয়ার্ডে কাউন্সিলর নির্বাচিত হন শাহেনশাহ আহম্মেদ। দুইজনই এলাকায় নিজ বলয়ে আধিপত্য ও কাউন্সিলরশিপ ধরে রাখতে দ্বন্দ্ব রয়েছে। এতে ফলে দুই চাচা-ভাতিজা কখনে একত্রে দেখা যেত না এলাকার কোন স্থানে। এবার আবুল কালাম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাচা-ভাতিজাকে একত্রে মাঠে নামিয়েছেন ছেলে আবুল কাউসার আশা। দুই সাবেক কাউন্সিলর সমঝোতা কত দিন টিকে তা নিয়ে রয়েছে এলাকায় আলোচনা।


































আপনার মতামত লিখুন :