নারায়ণগঞ্জের পাচঁটি আসনে অবাধ সুষ্ঠু ও সুন্দর পরিস্থিতিতে নির্বাচন করতে চান জেলা রির্টানিং অফিসার ও জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির। ইতোমধ্যে প্রার্থীরা আচরণবিধি ভঙ্গ করায় সর্বোচ্চ দেড় লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানা করা হয়েছে জানিয়েছেন। একই সাথে আইন-শৃঙ্খলা ভঙ্গে কোন প্রার্থী বা সমর্থকদের ছাড় দিবেন না বলে জানিয়ে দিয়েছেন। এদিকে জেলা পুলিশ সুপার, র্যাব-বিজিবি কর্মকর্তারা একই সুরে হুশিয়ারি দিয়েছেন।
অন্যদিকে নারায়ণগঞ্জে দায়িত্বপ্রাপ্ত সেনাবাহিনী এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ১৯ মাস যাবৎ একত্রে কাজ করছি। জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আমাদের বেক পেতে হবে না। সেনাবাহিনী থেকে প্রতিশ্রুতি দিতে চাই, এবারের নির্বাচন অবাধ সুষ্ঠুভাবে পালন করা হবে। নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে সুন্দরভাবে পরিচালনা করেন কোন বাধা আসবে না। আচরণবিধি মেনে চলুন আপনাদের সহযোগিতা করবো আমরা। আইন-শৃঙ্খরা বিঘ্ন করবেন তাদের কোন ছাড় দিবো না। অবশেষ আপনাদের ধন্যবাদ দিতে চাই- নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের প্রার্থীদের কোন সমস্যা পায়নি।
নির্বাচনে ম্যাসেজ ক্লিয়ার করতে ৩১ জানুয়ারি বন্দর উপজেলা মিলনায়তনে নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে বিশেষ আইন শৃঙ্খলা সভা করেছেন প্রশাসনের কর্মকর্তারা। প্রয়োজনে আরো সভা করতে পারেন এমনতা বার্তা দিয়েছেন জেলা প্রশাসক। নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের প্রার্থী মধ্যে ঐক্য থাকায় এখনো বড় কিছু না ঘটায় সকলকে ধন্যবাদ জানান তিনি। তিনি আরও বলেন, নির্বাচনে যারা ভয়ভীতি প্রদর্শনের সঙ্গে জড়িত থাকবেন, তাদের কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।
এই নির্বাচন এমনভাবে করতে হবে, যাতে আগামী কয়েকটি প্রজন্ম একটি সুন্দর নির্বাচন পায়। গত ১৫ বছরে তিনটি নির্বাচন আমরা ভালোভাবে করতে পারিনি। এবারও যদি ভালো না করতে পারি, তাহলে শুধু প্রশাসন বা আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নয় প্রার্থীরাও এই দায় এড়াতে পারবে না। সুতরাং সুষ্ঠু নির্বাচন করা আমাদের সবার দায়িত্ব।
অপরদিকে নারায়ণগঞ্জ জেলা রিটানিং অফিসারের এমন হুশিয়ারিতে স্বস্তি মিলেছে নারায়ণগঞ্জের পাচঁটি আসনে ৪৮জন প্রার্থী। তারা জানিয়েছেন, জনগণের রায় যিনিই এমপি নির্বাচিত হবেন তাকেই সাধুবাদ জানাবো। হামলা মামলা লিপ্ত হতে চায় না কেউ, বিগত সময়ে যেভাবে ভোটকে কুক্ষিগত করে রেখেছিলেন-সেই সময় আর যেন দেশের নির্বাচনে ফিরে না আসে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্থানীয় প্রশাসনের বিরুদ্ধে নিরপেক্ষতা হারানোর অভিযোগ পাওয়া গেলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলেছেন নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। তিনি বলেছেন, সকল ভোটার যাতে ভোটকেন্দ্রে এসে নিরাপদে ভোট দিতে পারে, এটা নিশ্চিত করতে হবে। সেই ভোটার যে-ই হোক না কেনো। বারের নির্বাচনে ভোটের মাধ্যমে প্রার্থীদের জিততে হবে, দুই নম্বরির কোনও সুযোগ নেই। এ ছাড়া নির্বাচনে স্থানীয় প্রশাসনের বিরুদ্ধে নিরপেক্ষতা হারানোর অভিযোগ পাওয়া গেলে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। সকল ভোটার যাতে ভোটকেন্দ্রে এসে নিরাপদে ভোট দিতে পারে, এটা নিশ্চিত করতে হবে। সেই ভোটার যে-ই হোক না কেনো। এবারের নির্বাচনে ভোটের মাধ্যমে প্রার্থীদের জিততে হবে, দুই নম্বরির কোনও সুযোগ নেই। এ ছাড়া নির্বাচনে স্থানীয় প্রশাসনের বিরুদ্ধে নিরপেক্ষতা হারানোর অভিযোগ পাওয়া গেলে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

































আপনার মতামত লিখুন :