আগামী ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে ইউনিয়ন পরিষদগুলোর নির্বাচন। এর আগে বন্দর উপজেলার মুছাপুরে ছড়িয়ে পড়েছে রাজনৈতিক হিংসা ও নির্বাচনী উত্তাপ।
মঙ্গলবার ২১ জুলাই রাতে মুছাপুর ইউনিয়নের লাঙ্গলবন্দ স্ট্যান্ড, ঝুকিপাড়া, প্রেমতলা, তাজপুর, হরিপুর, ঋষিপাড়া, হরিবাড়ি, মুছাপুর, মিনারবাড়ি, হাজী সাহেবের মোড় সহ অন্তত ৫০টি স্পট থেকে মুছাপুর ইউনিয়নের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী মাহমুদুল হাসান শুভর ব্যানার ও ফ্যাস্টুন ছিড়ে ফেলে দেয়া হয়েছে।
স্থানীয়রা জানান মঙ্গলবার দিনের বেলাতেও তারা এসব স্থানে শুভর ব্যানার ও ফ্যাস্টুন দেখতে পেয়েছে। কিন্তু বুধবার সকাল থেকে আর এসব দেখা যাচ্ছেনা।
তারা আরো জানান, এলাকাবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়ে মাহমুদুল হাসান শুভ এসব ব্যানার ফেস্টুন টানিয়েছিলে। মঙ্গলবার সন্ধ্যার পরও এসব ব্যানার যথাস্থানে দেখতে পাওয়া গেছে কিন্তু সকাল থেকে মুছাপুরের কোথাও আর শুভর কোন ব্যানার দেখতে পাওযা যাচ্ছেনা।
এদিকে মাহমুদুল হাসান শুভ গণমাধ্যমকে জানান, আলী হোসেন, মুছাপুর বিএনপির সভাপতি তারা মিয়া, কৃষকদলের সাধারণ সম্পাদক সেলিম মাহমুদ, জিয়া মঞ্চের আনোয়ার প্রধান তাদের লোকজন নিয়ে এসব ব্যানারা রাতের আঁধারে সরিয়ে নিয়েছে এলাকার মানুষ যারা দেখেছেন তারাই আমাকে এসব জানিয়েছেন।
শুভ আরো বলেন, সম্প্রতি আবুল কাউসার আশা মুছাপুরে এসে ব্যানার ফেস্টুন নিয়ে বক্তব্য দেওয়ার পর পরই এমন ঘটনা ঘটেছে, এ ঘটনার পেছনে তার উস্কানি রয়েছে এমনটাই প্রতীয়মান হয়েছে।
এর আগে, গত ১৯ জুলাই মুছাপুর ইউনিয়নে দুঃস্থ পরিবারের মাঝে বিতরণ সরকারি চাল বিতরণ করতে গিয়ে মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ও এমপি আবুল কালাম পুত্র আবুল কাউসার আশা বলেন, মুছাপুরে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের হত্যাকান্ডে আসামি ও ঘোষিত ফ্যাসিস্টরা তাদের ছবি সাঁটিয়ে বেড়াচ্ছে। আপনারা চোখে আঙ্গুল দিয়ে বসে আছেন কীনা জানি না। ফ্যাসিস্টদের যদি প্রশ্রয় দেন তাহলে একদিন আপনাদেরও ক্ষতির সম্মুখীন হতে হবে। আমি চাই মুছাপুর ফ্যাসিস্টদের জিম্মিদশা থেকে মুক্তি পেয়েছে, এটা যেন আবারও ফ্যাসিস্টদের কবলে না পড়ে।






































আপনার মতামত লিখুন :