সিনিয়র অ্যাডভোকেট তৈমূর আলম খন্দকার বলেছেন, আমি সরকারকে ধন্যবাদ জানাই সরকার এবছর বাধ্যতামূলকভাবে প্রত্যেকটা স্কুলে এই কর্মসূচি দিয়েছে। আমাদের বেগম রোকেয়া খন্দকার উচ্চ বিদ্যালয়ে এই কর্মসূচি পালিত হচ্ছে। আমরা বিগত ১২ বছর ধরেই বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উপলক্ষ্যে র্যালী করি এবং মানুষ যেন গাছ লাগাই একং পরিচর্যা করে থাকে। গাছ লাগালেই হবে না এটাকে পরিচর্যা করতে হবে।
রোববার (২৬ জুলাই) দুপুরে নারায়ণগঞ্জ শহরের বেগম রোকেয়া খন্দকার পৌর উচ্চ বিদ্যালয়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে তিনি এসব কথা বলেন। এদিন বেলা ১১ টায় গাছের চারা রোপন ও পরিচর্যা আমাদের অঙ্গীকার প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের নিয়ে বর্ণাঢ্য র্যালী ও চারা বিতরণ করা হয়।
অ্যাডভোকেট তৈমূর আলম খন্দকার বলেন, আমরা ছাত্র-ছাত্রীদের শিক্ষার অংশ হিসেবে এটা নিয়েছি। মানুষ পৃথিবীকে ধ্বংস করছে তার প্রকৃতিকে ধ্বংস করার মধ্য দিয়ে। প্রকৃতিকে বাঁচিয়ে রাখতে হবে অন্যথায় প্রকৃতি প্রতিশোধ নিবে। গাছ লাগাতে হবে পরিচর্যা করতে হবে। বৃক্ষরোপণ এবং পরিচর্যা প্রত্যেকটি স্কুলের পাঠ্যসূচিতে অন্তর্ভুক্ত করা উচিত। যারা পরিচর্যায় ভালো করতে পারবে তাদের নাম্বার দেয়ার ব্যবস্থা করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় এবং স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় চরম বৈষম্য চলছে। অনেক স্কুলে সাধারণ শিক্ষার্থী ভর্তি হতে পারে না। একইভাবে অনেক হাসপাতাল আছে যেখানে গরীবের কোনো চিকিৎসা নাই। গরীবের চিকিৎসা নিতে হয় দুর্গন্ধযুক্ত হাসপাতালে। সরকারের কাছে দাবী জানাই আগামী ২০২৭ সালকে শিক্ষাবর্ষ এবং স্বাস্থ্যবর্ষ হিসেবে উদযাপন করে সকলের শিক্ষা এবং স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা হোক। শিক্ষাব্যবস্থাকে সার্বজনীন করতে হবে।
তৈমূর বলেন, ২০২৬ সালকে নজরুল বর্ষ পালন করছে এজন্য সরকারকে ধন্যবাদ জানাই। সেই সাথে ২০২৭ সালকে যেন শিক্ষাবর্ষ এবং স্বাস্থ্যবর্ষ হিসেবে উদযাপন করে সেই দাবী করছি। সরকারকে অনুরোধ করবো বোর্ড পরীক্ষায় বৃক্ষরোপণ এবং পরিচর্যা সিলেবাসে যেন অন্তুর্ভুক্ত করে।







































আপনার মতামত লিখুন :