ফতুল্লা থানা কৃষকদলের আহ্বায়ক জুয়েল আরমানের বিরুদ্ধে অপহরণ ও বলপূর্বক অর্থ আদায়ের অভিযোগ এনে জাতীয় প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে বিপাকে পড়েছেন কুতুবপুর ইউনিয়ন বিএনপির পদধারী নেতা দেলোয়ার হোসেন দেলু।
তার অভিযোগ ৫ আগস্টের পর তার বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া বৈষম্যবিরোধী মামলাকে নতুন করে সামনে এনে তাকে হয়রানি করা হচ্ছে।
দেলুর অভিযোগ, মামলাটি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও রাজনৈতিক হয়রানিমূলক।
জানা যায়, দেলোয়ার হোসেন দেলু কুতুবপুর ইউনিয়ন বিএনপির ৯ নম্বর ওয়ার্ড কমিটির ৩৭ নম্বর সদস্য। ২০২৩ সালে কুতুবপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি বিল্লাল হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেনের অনুমোদিত কমিটিতে তিনি স্থান পান।
স্থানীয় বিএনপির একাধিক নেতার ভাষ্য, আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে রাজনৈতিক চাপ উপেক্ষা করে দেলু দলীয় কার্যক্রমে সক্রিয় ছিলেন।
দেলুর দাবি, তার বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলার বিষয়ে তিনি জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারকে অবহিত করেছেন। পাশাপাশি জুয়েল আরমানের বিরুদ্ধে অভিযোগ করার পর থেকে তিনি নিয়মিত হুমকি-ধমকির মুখে রয়েছেন এবং নিরাপত্তাহীনতার কারণে এলাকা ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন বলেও জানান।
দেলোয়ার হোসেন দেলু বলেন, “আমি বিএনপির একজন পদধারী নেতা। রাজনৈতিক প্রতিহিংসা থেকেই আমার বিরুদ্ধে বৈষম্যবিরোধী মামলা দেওয়া হয়েছে। প্রায় দুই বছর পর সেই বিষয়টি আবার সামনে এনে প্রকৃত অপরাধীদের দায় আড়াল করার চেষ্টা চলছে। আমি এই অন্যায়ের সুষ্ঠু বিচার চাই।”





































আপনার মতামত লিখুন :