ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর মজলিশে শুরায় নতুন সদস্য মনোনীত হয়েছেন আতিকুর রহমান নান্নু মুন্সি।
গত ২৭ জুন ঢাকার একটি হোটেলে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের বিশেষ শুরা অধিবেশনে দলের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম, পীর সাহেব চরমোনাই ও মাওলানা গাজী আতাউর রহমানকে মহাসচিব করে ৪৮ সদস্যের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা করেন। একই সাথে ১১ সদস্যের প্রেসিডিয়াম ও ২৪ সদস্যের উপদেষ্টা পরিষদ গঠন করা হয়।
সোমবার এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২৯ জুন দলের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম, পীর সাহেব চরমোনাই গঠনতন্ত্রের ধারা-১৪ (গ) এ প্রদত্ত ক্ষমতাবলে মাওলানা ইমতিয়াজ আলম ও আল্লামা খালিদ সাইফুল্লাহকে দলের উপদেষ্টা পরিষদে সংযুক্ত করেছেন এবং ধারা-১৫ (চ) এ প্রদত্ত ক্ষমতাবলে আতিকুর রহমান নান্নু মুন্সিকে মজলিশে শুরার সদস্য হিসেবে মনোনীত করেছেন।
আতিকুর রহমান নান্নু মুন্সি বাংলাদেশের ইসলামী আন্দোলনের প্রবীন লড়াকু সৈনিক। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা আমির মাওলানা সৈয়দ মুহাম্মাদ ফজলুল করীম, রাহিমাহুল্লাহর ঘনিষ্ট সহচর ছিলেন।
তিনি বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব এবং নারায়ণগঞ্জ জেলা আমির হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। পাশাপাশি তিনি অনৈসলামিক কার্যকলাপ প্রতিরোধ কমিটির আমির হিসেবেও দায়িত্ব পালন করে আসছেন।
তিনি দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন ভণ্ড ও ইসলামবিরোধী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে জনসচেতনতা সৃষ্টি এবং আন্দোলন-সংগ্রাম পরিচালনা করেছেন। এ ছাড়াও ফিলিস্তিনসহ বিশ্বের বিভিন্ন মুসলিম রাষ্ট্র ও জনগণের ওপর হামলা, নির্যাতন ও আগ্রাসনের প্রতিবাদে বিভিন্ন কর্মসূচিতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন।
রাজনৈতিক জীবনের শুরুতে তিনি ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। পরবর্তীতে বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করলেও আদর্শিক সম্পর্ক বজায় রেখেছেন। সর্বশেষ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি নারায়ণগঞ্জ-৩ (সোনারগাঁও-সিদ্ধিরগঞ্জ) আসনে বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের ‘বটগাছ’ প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করেন।
কোরআন-সুন্নাহভিত্তিক সমাজ ও রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে তিনি দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন সামাজিক, ধর্মীয় ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ করে আসছেন।
এ বিষয়ে আতিকুর রহমান নান্নু মুন্সী বলেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের রাজনীতির মাধ্যমেই আমার রাজনৈতিক পথচলা শুরু হয়েছিল। ইসলামী মূল্যবোধ, ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠন এবং দেশ ও জনগণের কল্যাণে কাজ করার যে আদর্শ আমি ধারণ করি, তা ইসলামী আন্দোলনের মধ্যেই সবচেয়ে সুস্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ব্যক্তিগত স্বার্থ নয়, বরং ইসলামের আদর্শ ও দেশের মানুষের কল্যাণে কাজ করাই আমার মূল লক্ষ্য। সকলের দোয়া, সহযোগিতা ও পরামর্শ কামনা করছি।






































আপনার মতামত লিখুন :