আড়াইহাজারের বিশনন্দী গ্রামে মাদক আটককে কেন্দ্র করে দুই গোষ্ঠী মুখোমুখি অবস্থানে রয়েছে।
এক পক্ষ মাদকের বিরুদ্ধে অন্য পক্ষ মাদক কারবারিদের পক্ষে অবস্থান নেওয়ায় এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।
এরই মধ্যে প্রতিপক্ষের হামলায় রহমান (৫০) নামের ব্যক্তি গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এর সূত্রপাত গত বৃহস্পতিবার রাতে অটোরিকশায় করে বিপুল পরিমাণ মাদক নিয়ে গ্রামে ঢোকার সময় চার বস্তা বিয়ার ফেলে ছয়জনের পালিয়ে যাওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে।
রাত ১০টায় উপজেলার বিশনন্দী ইউনিয়নের বিশনন্দী গ্রামে ওই ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়দের ভাষ্য, গনি, আল আমিন, রমজান, ওবায়দুল্লাহ ও ইয়ামিন এবং অটোরিকশাচালক সজীব একটি অটোরিকশায় করে বিপুল পরিমাণ বিভিন্ন মাদকদ্রব্য নিয়ে গ্রামে প্রবেশ করেন। বিষয়টি জানতে পেরে স্থানীয় আফাজ উদ্দিনের ছেলে বিএনপি নেতা আল আমিন এলাকার লোকজন নিয়ে তাঁদের আটকানোর চেষ্টা করেন। এ সময় তাঁরা স্থানীয়দের ফাঁকি দিয়ে পালিয়ে যান। পালানোর সময় চার বস্তা বিয়ার ফেলে যান।
পরে স্থানীয় লোকজন ওই বিয়ার উদ্ধার করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেন। ঘটনার পর মাদক কারবারিরা বিএনপি নেতা আল আমিনকে অনবরত হুমকি-ধমকি দিচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়ে এলাকায় উত্তেজনা আরও বেড়ে যায়।
স্থানীয়রা জানান, এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ওই গ্রামের সাবুর গোষ্ঠী ও চৌহরা গোষ্ঠী পরস্পরের মুখোমুখি অবস্থান নেয়।
সাবুর গোষ্ঠী মাদকের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। অন্যদিকে চৌহরা গোষ্ঠীর লোকজন মাদক কারবারিদের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে বলে স্থানীয়দের দাবি।
এরই মধ্যে বৃহস্পতিবার রাতে চৌহরা গোষ্ঠীর লোকজন রহমানকে মারধর করেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
লোকমানের ছেলে রহমান গুরুতর আহত হয়ে বর্তমানে আড়াইহাজার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন। শুক্রবার দুপুর পর্যন্ত দুই গোষ্ঠীর মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছিল।
আড়াইহাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সবজেল হোসেন বলেন, মাদক উদ্ধারের ঘটনায় আসামিদের পলাতক দেখিয়ে মামলা দায়ের করা হচ্ছে। আর মারামারির ঘটনায় অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।






































আপনার মতামত লিখুন :