নারায়ণগঞ্জ শহরের আমলপাড়া এলাকার অনিক। তার মা ফাতেমা বেগম ফতে এলাকার চিহ্নিত মাদক বিক্রেতা হিসেবে পরিচিত। এরই মধ্যে ডিবি তার বাড়িতে হানা দিলেও ধরতে পারেনি অনিককে। ডিবির উপস্থিতি টের পেয়ে কোনমতে পালিয়ে যান। কিন্তু এ অনিকের বিরুদ্ধে রয়েছে রাজনৈতিক নেতাদের শেল্টার গ্রহণের অভিযোগ।
গত দুই বছরে মহানগর বিএনপির একাধিক সভা সমাবেশ ও কর্মসূচীতে দেখা গেছে অনিককে। হোসিয়ারী সমিতি মিলনায়তনে এ অনিকের উদ্যোগে একাধিক কর্মসূচী অনুষ্ঠিত হয় যেখানে বিএনপির বিভিন্ন শ্রেণির নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব আবু আল ইউসুফ খান টিপুর সঙ্গেও অনিকের একাধিক ছবি দেখা গেছে। নির্বাচনে বিএনপির প্রচারণার পাশাপাশি ব্যক্তিদের পাশেও দেখা গেছে অনিককে।
স্থানীয়রা জানান, বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর বেপরোয়া হয়ে উঠে অনিক ও তার অনুসারীরা। তারা আমলাপাড়া, হকার্স মার্কেট ও আশপাশ এলাকাতে মাদকের কারবার শুরু করে। এসব মাদক কারবারীরা নিয়মিত বিএনপির বিভিন্ন সভা সমাবেশে গিয়ে আরো বেপরোয়া হয়ে উঠতে শুরু করে। ধরাকে সরা জ্ঞান করে একের পর এক কর্মকান্ড করে।
চাষাঢ়ায় হকার্স মার্কেটে গুলি ও ছুরিকাঘাতে মাদক ব্যবসায়ী শুভ দাসের হত্যাকান্ডে মাস্টারমাইন্ড খ্যাত অনিকের নেতৃত্বে ১০ থেকে ১২ জন মাদক ব্যবসায়ী ও সন্ত্রাসী ছিল। নারায়ণগঞ্জ ডিবি পুলিশের ইতোমধ্যে অনিকের সহযোগিা মাইগ্যা সুমন, সিয়াম আহম্মেদ সিজান ও মো. সোহানকে গ্রেপ্তার করেছে।
জানা গেছে, আমলাপাড়ায় ২৫টি অধিক মাদকের মামলার আসামী ফাতেমা বেগম ওরফে ফতে বাড়িতে ৩ সেপ্টেম্বর অভিযান চালায় ডিবি। অভিযানে ১ হাজার ৫০০ গ্রাম গাঁজা, পাঁচটি দেশীয় অস্ত্র ও একটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়। ফতে, তার ছেলে অনিক ও সুজনকে আসামি করে এ ঘটনায় সদর মডেল থানায় পৃথক দুটি এজাহার দায়ের করেন ডিবির এসআই মফিজুল ইসলাম।



































আপনার মতামত লিখুন :