নারায়ণগঞ্জ উলামা পরিষদের সভাপতি ও ডিআইটি জামে মসজিদের খতিব আল্লামা আব্দুল আউয়াল বলেছেন, দেশটাকে আবার অশান্তির দিকে নিয়ে যাচ্ছে। কি একটা অবস্থা করে ফেলছে দেশে। এত আন্দোলন এত কিছু সবাই মিলে ২৪ সালের সেই সংস্কার আন্দোলন হলো। কি শুরু হয়ে গেলো দেশে। দুইপক্ষের মধ্যে এখন আবার মারামারি শুরু হয়ে গেলো। এটা কি দুঃখজনক না?
শুক্রবার ৭ আগস্ট জুমআর নামাজের খুতবার বয়ানে তিনি এসব কথা বলেন। আল্লামা আব্দুল আউয়াল বলেন, এত রক্তের বিনিময়ে যারা শাহাদাত বরণ করলো সেখানে মাঠে ময়দানে এভাবে মারামারি না করে সমঝোতায় বসো। দেশের কর্ণধার যারা আছে যাদের মেধা আছে বুদ্ধি আছে যারা মানুষকে সঠিক দিক নির্দেশনা দিতে পারে এমন লোক নিয়ে বসো। রুদ্ধদার বৈঠক করে উভয় পক্ষ বসো ২৪ জুলাইয়ের আন্দোলনকে বাস্তবায়ন করার জন্য কি কি কথা আছে।
তিনি আরও বলেন, এগুলো নিয়ে মাঠে ময়দানে মারামারি করলে হাসিনার তো পোয়াবারো। হাসিনা বলতেছে নিজেদের মধ্যে লাগছে আমি শীঘ্রই আসতে পারবো দেশে। আমাদের হারানো ঐতিহ্য আমরা যখন ফিরে পাইলাম সেই ঐতিহ্যকে রক্ষা করা আমাদের ইমানি দায়িত্ব। সেটার মধ্যে এভাবে মারামারি। ছাত্রদল শিবির জামায়াত এনসিপি সবমিলিয়ে কি দেখাচ্ছো সারা দেশের মধ্যে। বলা হচ্ছে হাসিনা গেছে যে পথে তারেক জিয়া তুমিও যাবে সে পথে। এগুলো রাষ্ট্রের সমাধান হবে?
আল্লামা আব্দুল আউয়াল বলেন, যারা দেশকে ভালোবাসো দাবী করো উচিত হবে তুমরা বসো। জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে বসে সমাধান হোক। একবার না প্রয়োজনে ১০০ বার বসেন। এটার সমাধানে বাহিরে মারামারি করা জান শেষ করে দেওয়া এটা ইসলাম নয়; এটা রাষ্ট্রের চাহিদা নয়। জুলাই সনদ ওহী হয়ে যায় নাই। এদেশের জনগণই তৈরি করেছে। এটা নিয়ে বসা হোক। এখন যদি এটা হয় এই চেয়ারে আপনি বসছেন আমাকে বসতে দিলেন না কেন আপনি আপনাকে টেনে সড়িয়ে আমি বসবো।
তিনি বলেন, মেধাওয়ালা বুদ্ধিওয়ালা আল্লাহর সাথে সম্পর্ক করনে ওয়ালা লোক নিয়ে বসো; বসে সমাধানের রাস্তায় যাও। তবুও হাতজোড় করে বলি নিজেদের মধ্যে মারামারি করো না। এই দেশটাকে আর অশান্তির দিকে নিয়ে যাইওনা তোমরা। দেশটাকে শান্তি দাও; আমরা যেন শান্তিতে আল্লাহকে ডাকতে পারি।







































আপনার মতামত লিখুন :