নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে বাসদ মনোনীত প্রার্থী আবু নাঈম খান বিপ্লব বিকাল ৪টায় ২ নং রেল গেইট থেকে শুরু করে চাষাড়া, মেট্রোহল, কালীরবাজার, ফলপট্টি বাসস্ট্যান্ড হয়ে ২নং রেল গেইটে পথসভা ও গণসংযোগ করে।
উপস্থিত ছিলেন বাসদ বাসদ কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাধারণ সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক রাজেকুজ্জামান রতন, বাসদ নারায়ণগঞ্জ জেলা কমিটির সদস্য এম এ মিল্টন, বাসদ জেলা বর্ধিত ফোরামের সদস্য ৫ আসনের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্যসচিব প্রদীপ সরকার, জেলা বর্ধিত ফোরামের সদস্য ও সমাজতান্ত্রিক মহিলা ফোরামের সাধারণ সম্পাদক সুলতানা আক্তার, বাসদ ১৫ নং ওয়ার্ডের নেতা তাজুল ইসলাম, ১৮ নং ওর্য়াডের বাসদ নেতা খলিলুর রহমান সহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।
রাজেকুজ্জামান রতন বলেন, দেশের ২৬ শতাংশ মানুষ দারিদ্র সীমার নিচে নেমে গেছে, অভ্যুত্থান পরর্বতী সময়ে দেশে কোটিপতির সংখ্যা বেড়েছে ১০৩৩৭ জন। মানুষ এখনো ঠিকমতো পুষ্টিকর খাবার খেতে পারে না, শিক্ষা চিকিৎসার অধিকার থেকে মানুষকে করা হয়েছে বঞ্চিত। এমন একটি সময়ে আমাদের দেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন হতে যাচ্ছে। এই নির্বাচনের মধ্য দিয়ে যেন মেহনতি শ্রমজীবী মানুষের কথা বলার সংসদ তৈরি হয় সেটি আমাদেরকে নিশ্চিত করতে হবে। সংসদ যেন কোটিপতিদের ক্লাব তৈরি না হয়, সংসদ যেন হয় শ্রমজীবী মানুষের অধিকার আদায়ের প্রতিষ্ঠান, তার জন্য আমরা লড়াই করছি।
আবু নাঈম খান বিপ্লব বলেন, একটি অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য জনগণের দীর্ঘদিনের লড়াইয়ে আমি আপনাদের একজন সহযোদ্ধা আপনারা সবাই জানেন, নির্বাচন গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার অঙ্গ। কালো টাকা, পেশিশক্তি, প্রশাসন ও পুলিশ এবং সাম্প্রদায়িকতার ব্যবহার মুক্ত সুষ্ঠু অবাধ নির্বাচন গণতান্ত্রিক সমাজ নির্মাণে ভুমিকা রাখতে পারে। সমাজের সকল স্তরে জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠা জনগণের অন্যতম চাওয়া। নারায়ণগঞ্জ শহর একটি ধনী জেলা অথচ এই শহরে শিক্ষা-চিকিৎসার অধিকার থেকে মানুষ বঞ্চিত। যেখানে বড় বড় ইন্ডস্ট্রি তৈরি হয়, কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয় তৈরি হয় না। ভালো চিকিৎসার ব্যবস্থ হয় না। শিক্ষা, চিকিৎসা টাকার কাছে জিম্মি করে ফেলেছে, মানুষের অধিকারকে বানিয়েছে পণ্য। তাই জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আমরা হারি বা জিতি, জনগনের দাবিতে লড়ে যাবো, সেই প্রতিশ্রুতি জনগনের কাছে রাখছি। তাই জনগনকে মই মার্কার প্রতি আস্থা রাখার আহ্বান জানাই।





































আপনার মতামত লিখুন :