নগরবাসীর নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে দিনরাত ছুটে বেড়াচ্ছেন নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান।
শহরের প্রধান প্রধান সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে তিনি নিজেই ছুটে বেড়াচ্ছেন সবখানে, পাশাপাশি নিজ কার্যালয়ের দাপ্তরিক কাজগুলোও সেরে নিচ্ছেন তিনি।
মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সকালে বন্দরের ২৭ নং ওয়ার্ডে সাবমারসিবল পানির পাম্প উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যান নাসিক প্রশাসক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত।
সেই অনুষ্ঠান চলাকালে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের সাথে সারাদেশের ১১টি সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসকদের সাথে জুম মিটিংয়ে অংশ নেন তিনি।
সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার বিভাগের সম্মেলন কক্ষে অনলাইন প্ল্যাটফর্মে অনুষ্ঠিত ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত অন্যান্য রোগ প্রতিরোধে গঠিত টাস্কফোর্স কমিটির সভায় অনলাইনে যুক্ত হন নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক এডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান।
সভার একপর্যায়ে মন্ত্রী নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের পরিবেশ সম্পর্কে জানতে চান প্রশাসক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খানের কাছে। তখন নাসিক প্রশাসক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত মন্ত্রীকে বলেন, প্রধানমন্ত্রীর "গ্রীন এন্ড ক্লিন সিটি" বাস্তবায়নে নিয়মিত কাজ করে যাচ্ছে নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন। ডেঙ্গু প্রতিরোধেও আমরা কাজ করে যাচ্ছি। নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের প্রতিটি ওয়ার্ডে মশক নিধন কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন এলাকার সকল খাল খনন ও পুনঃখনন কার্যক্রম চলছে নিয়মিত। সেইসাথে ড্রেনগুলো পরিস্কার করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা নিয়মিত শহরের সকল ময়লা অপসারণ করছে। পাশাপাশি আমরা বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং এলাকায় এলাকায় সভা সমাবেশ এবং লিফলেট বিতরণের মাধ্যমে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতা কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছি।
সভার সভাপতি স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম সারাদেশের বিভিন্ন সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসকদের কাছ থেকে ডেঙ্গু প্রতিরোধে চলমান কার্যক্রমের অগ্রগতি সম্পর্কে অবহিত হয়ে মাঠপর্যায়ের অভিজ্ঞতার আলোকে কার্যক্রম আরও সমন্বিত ও ফলপ্রসূ করতে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন।


































আপনার মতামত লিখুন :