বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ নারায়ণগঞ্জ জেলার উদ্যোগে সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার এস এম ফয়েজ উদ্দিনের কঠোর হস্তক্ষেপে সিদ্ধিরগঞ্জে এক বাল্য বিবাহ প্রতিরোধ করা হয়।
স্থানীয় সূত্রে খবর পেয়ে গত ২৪ জুলাই শুক্রবার সকাল ১১টায় বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ নারায়ণগঞ্জ জেলা সভাপতি রীনা আহমেদ ও সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট হাসিনা পারভীন তাৎক্ষণিকভাবে সদর ইউএনও এবং সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে বিষয়টি অবহিত করেন।
সকাল ১০টা থেকে বিকেল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত মহিলা পরিষদ উপজেলা প্রশাসন, থানা ও সংশ্লিষ্ট এলাকার জনপ্রতিনিধি সাংবাদিকদের সাথে বিরতিহীনভাবে যোগাযোগ অব্যাহত রাখেন।
জেলা সাধারণ সম্পাদক রহিমা খাতুন ও কদমতলী শাখার নেত্রী সুরাইয়া আক্তারসহ মহিলা পরিষদের একটি প্রতিনিধি দল ঘটনাস্থলে ছুটে যান। তাঁরা গিয়ে দেখেন-সিদ্ধিরগঞ্জের এসও রোডে ১৫ বছরের কন্যার সাথে জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজন করেছেন।
বিয়েতে বাধা দেয়ায় স্থানীয় কিছু পেশীশক্তির লোক তাঁদের সাথে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন। এর মধ্যে সদর ইউএনও প্রতিনিধি, সিদ্ধিরগঞ্জ থানা থেকে পুলিশ ফোর্স ও মহিলা অধিদপ্তরের প্রতিনিধি উপস্থিত হন।
তবুও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না এলে সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার এস এম ফয়েজ উদ্দিন স্বশরীরে উপস্থিত হয়ে বিয়ে বন্ধ করেন। উভয় পরিবারের অভিভাবকের মুচলেকা নেয়া হয়। তারা কোন রকম বাল্য বিবাহের আয়োজন করতে পারবে না। কন্যা ও পুত্রের বিবাহ যোগ্য বয়স হলে তবেই তাদের বিয়ের ব্যবস্থা করবেন।



































আপনার মতামত লিখুন :