নারায়ণগঞ্জ-১ (রূপগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য মুস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া দীপু বলেছেন, ১৯৯৫ সালে পূর্বাচল হওয়ার সময়ে আমাদের ভুলের কারণে তাদের জমি দেওয়া হয়। শত শত বিঘা জমি দিয়ে দিয়েছে একটি প্লটের আশায়। তখনকার ভুলের খেসারত এখন আমাদের দিতে হচ্ছে। আমি এখন কষ্ট দেখাতে পারলেও সমাধান করতে পারছি না। তখন যদি শুধু রাস্তা দেওয়া হতো তাহলে আজকের এ সমস্যা সৃষ্টি হতো না। রূপগঞ্জের আর এক ফোঁটা জমিও অধিগ্রহণ (অ্যাকোয়ার) করতে দেওয়া হবে না। পূর্বাচল প্রকল্পের নামে রূপগঞ্জের ফসলি জমি ও মানুষের বসতভিটা অধিগ্রহণের কারণে সাধারণ মানুষ চরম উদ্বেগ ও অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছে।
তিনি বলেন, রূপগঞ্জ নিয়ে সংসদে কথা বলায় আমাকে হুমকি দেওয়া হয়। এই করবে সেই করবে হুমকি দেয়। কিন্তু আমি রূপগঞ্জবাসীর জন্য নিজের জীবন উৎসর্গ করতে রাজী।
দিপু বলেন, বাংলাদেশের বেশীরভাগ সংসদ সদস্যের বডিগার্ড আছে, কিন্তু আমার সঙ্গে আমার রূপগঞ্জবাসী আছে। তাই আমি একা গাড়ি চালিয়ে ঘুরতে পারি। আমি কারো হক মারি নাই।
শনিবার রূপগঞ্জে বিভিন্ন এলাকার নেতাকর্মী ও ক্ষতিগ্রস্ত সাধারণ মানুষ তাদের ভিটাবাড়ি ও জমি অধিগ্রহণের হাত থেকে রক্ষার দাবিতে সংসদ সদস্য মুস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া দীপুর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এ সময় তারা তাদের বিভিন্ন সমস্যার কথা তুলে ধরেন এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানান।
এ সময় উপস্থিত নেতাকর্মী ও এলাকাবাসী তাদের জমি ও বসতভিটা রক্ষায় কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের দাবি জানান।
স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি বলেন, চনপাড়ার মানুষের নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করা, আবাসনসংক্রান্ত জটিলতা নিরসন, অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং মৌলিক সেবার মানোন্নয়নে সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করছে। তিনি এলাকাবাসীর সমস্যা গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের প্রতিশ্রুতি দেন।
এ সময় তিনি আরও বলেন, চনপাড়াকে একটি পরিকল্পিত ও বাসযোগ্য এলাকায় রূপান্তরের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় সব ধরনের উদ্যোগ নেওয়া হবে। স্থানীয় জনগণের সহযোগিতা ও মতামতকে গুরুত্ব দিয়েই উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে বলেও তিনি আশ্বাস দেন।





































আপনার মতামত লিখুন :