নারায়ণগঞ্জ মহানগর জামায়াতে ইসলামীর আমীর আবদুল জব্বার বলেছেন, প্রভাব তো অবশ্য পড়েছে। ইসলামী সংগঠন হিসেবে আমরা যেহেতু ন্যায় ইনসাফের কথা বলি সেটা প্রমাণ করার চেষ্টা করি সেই জায়গায় এরকম একজন যিনি দীর্ঘদিন ধরে জামায়াতের রাজনীতির সাথে জড়িত তার নৈতিক পদস্খলনে সংগঠনের ভাবমূর্তি নষ্ট হয়েছে এটা বলার অপেক্ষা রাখে না।
সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম কান্ডে তিনি এসব কথা বলেন। আবদুল জব্বার বলেন, জামায়াতে ফেরেশতার দল না এটা মানুষের সংগঠন। মানুষ অপরাধ করে এখানে শরীয়তের নীতি আছে দেশের আইন-শৃঙ্খলা আছে অপরাধ যেই করুক আমীর কিংবা কর্মী তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত হবে। আমরা দুনিয়ার পর আখিরাত বিশ্বাস করি। কেউ যদি মনে করে দুনিয়ায় লুকোচুরি করে পার পেয়ে যাবে কিন্তু পরকালে ছাড় পাওয়ার কোনো সুযোগ নাই।
তিনি আরও বলেন, আমীর হইলেই দোষ করবে না বিষয়টা এরকম নয়। পরিবারের একজন সদস্য ভুল করে তাহলে ওই পরিবারের ক্ষতি হওয়াটাই স্বাভাবিক। এই ঘটনায় সংগঠন যে টিম গঠন করেছে সেই টিমের কাছে তিনি অপরাধী হিসেবে প্রমাণিত হয়েছেন। এজন্য তাকে বহিস্কার করা হয়েছে। এটা সাময়িক সময়ের আলোচনার বিষয় হয়েছে।
দলের প্রতি আরও আস্থা বেড়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমার বিশ্বাস জামায়াত যেহেতু মানুষের কল্যাণে রাজনীতি করে। দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে ভুলক্রুটি হলে শুধরানোর ক্ষেত্রে কোনো কার্পণ্য পোষণ করে না। এই ঘটনায় সিদ্ধান্ত নেয়ার পর সারাদেশের মধ্যে এরকম আলোচনা চলছে জামায়াত নেতা-এমপি হলেও ছাড় দেয় না। এরকম অন্য দলের বেলায় হলেও কোনো প্রতিক্রিয়া হয়নি। জামায়াত কিন্তু ছাড় দেইনি। এতে মানুষের মাঝে আস্থা তৈরি হয়েছে জামায়াত নীতির ব্যাপারে অটল। সত্য ও ইনসাফের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের ছাড় দেয় না।





































আপনার মতামত লিখুন :