বন্দরের দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসী শেখ সিফাত। পুলিশকে কুপিয়ে অস্ত্র লুটের পরও যার কিছুই হয়নি। কিন্তু ইসলামী যুব আন্দোলন নেতা বুলবুলকে কুপিয়ে নৃশংসভাবে হত্যার পর মাত্র ৬ ঘণ্টার মধ্যে পুলিশ অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে। সিফাতের সাথে তার বাহিনী ৭জন সদস্য ও ৪জন নারী সহ মোট ১১জনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এ সময় তাদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।
গত ২০ আগস্ট রাতেই তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরিদন ২১ আগস্ট জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ে গ্রেপ্তারকৃতদের গণমাধ্যমের সামনে আনা হয়। সে সময় অনেকটাই ড্যামকেয়ার মুডে ছিলো সন্ত্রাসী সিফাত ও তার বাহিনীর সদস্যরা।
এ সময় সিফাতকে গোঁফে পাক দিতে এবং দক্ষিণী সিনেমা আল্লু অর্জুনের পুষ্পা রাজের স্টাইল নকল করতে দেখা যায়। এছাড়াও তিনি পুলিশের সাথেও তর্ক এবং মিডিয়া কর্মীদের নিয়েও নানা মন্তব্য করতে দেখা গেছে।
তার ঠিক একদিন পর পাল্টে যায় দৃশ্যপট। ২৩ আগস্ট রোববার দুপুরে রিমান্ড শুনানীর জন্য যখন আদালতে আনা হয় তখন আগে থেকে আদালত প্রাঙ্গণে উপস্থিত ইসলামী আন্দোলনের নেতাকর্মীরা তার উপর হামলা চালায় গণপিটুনি দেওয়ার চেষ্টা করে। এ সময় ইসলামী আন্দোলনের নেতাকর্মীদের হামলায় শেখ সিফাতের পড়নের লুঙ্গি সহ খুলে নেওয়া হয়। তার শরীরের নিম্নাংশ সম্পূর্ন উলঙ্গ অবস্থায় এজলাসে পৌছে শেখ সিফাত।
এ সময় পুলিশ বিক্ষুব্ধদের নির্বৃত্ত করার চেষ্টা করেন। উত্তেজিত বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা সিফাত সহ তার বাহিনীর সদস্যদের ফাঁসির দাবি করে স্লোগান দিতে থাকেন।
ইসলামী আন্দোলন নারায়ণগঞ্জ মহানগরীর সভাপতি মুফতি মাসুম বিল্লাহ জানান, আমাদের আইনজীবী আসামিদের ১০ দিনের রিমা- আবেদন করেছিলেন আদালত সিফাত সহ তার সহযোগীদের ১০ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে এবং নারীদের ৩দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছে। আদালতের রায়ে আমরা সন্তোষ্ট। কিন্তু পুলিশের ভূমিকায় আমরা পুরোপুরি সন্তোষ্ট হতে পারছিনা। আমাদের দলীয় ভাই হত্যার পর মাত্র ৬ ঘণ্টার মধ্যে পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করছে সেটা ঠিক আছে। কিন্তু এসপি সাহেব বললো শুনলাম তার বিরুদ্ধে হত্যা সহ আরো অনেক মামলা আগের থেকেই রয়েছে। পুলিশ যদি আগেই তাকে গ্রেপ্তার করতো তাহলে আমাদের দলীয় ভাই খুন হতো না।


































আপনার মতামত লিখুন :