News Narayanganj
Bongosoft Ltd.
ঢাকা মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

সেঞ্চুরি অ্যাপারেলস শ্রমিকদের পাওনাদি পরিশোধের দাবি


দ্যা নিউজ নারায়ণগঞ্জ ডটকম | প্রেস বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর ৭, ২০২৬, ০৯:৫৫ পিএম সেঞ্চুরি অ্যাপারেলস শ্রমিকদের পাওনাদি পরিশোধের দাবি

মাসদাইর পুলিশ লাইনসে অবস্থিত বন্ধ সেঞ্চুরি অ্যাপারেলস লিঃ এর শ্রমিকদের আইনানুগ প্রাপ্যপাওনা পরিশোধের দাবিতে সেঞ্চুরি অ্যাপারেলস লিঃ শ্রমিক ইউনিয়নের পক্ষ থেকে ৭ সেপ্টেম্বর বিকাল ৫ টায় নারায়ণগঞ্জ প্রেস ক্লাবের সামনে শ্রমিক সমাবেশ ও শহরে বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।

শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি শহীদুল ইসলামের সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক ফ্রন্ট নারায়ণগঞ্জ জেলার সভাপতি আবু নাঈম খান বিপ্লব, গার্মেন্টস শ্রমিক ফ্রন্ট নারায়ণগঞ্জ জেলার সভাপতি সেলিম মাহমুদ, সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম শরীফ, সহসভাপতি হাসনাত কবীর ।

নেতৃবৃন্দ বলেন, সেঞ্চুরি অ্যাপারেলস লিঃ কারখানাটি মালিক কর্তৃপক্ষ গত ২৯ জুন ২০২৬ তারিখে নোটিশ দিয়ে বন্ধ ঘোষণা করে। আইন অনুযায়ী এক মাসের মধ্যে শ্রমিকের পাওনা পরিশোধ করার কথা। কিন্তু মালিক বলেন যে কারখানা বিক্রি করে টাকা পরিশোধ করবেন। আমরা জানতে পেরেছি ইতিমধ্যে মালিক কারখানাটি ফকির অ্যাপারেলসের কাছে বিক্রি করেছেন। নিয়ম হলো বিক্রি হলে সবার আগে শ্রমিকের পাওনা পরিশোধ করা। কিন্তু আমরা দেখতে পাচ্ছি, কারখানার মালিক ক্রেতা ফকির অ্যাপারেলস (সেঞ্চুরির কাছে পূর্বের পাওনা) এবং নারায়ণগঞ্জ প্রিমিয়াম ব্যাংকের পাওনা পরিশোধ করলেও শ্রমিকের টাকা দেয়ার ক্ষেত্রে মালিক বলছেন তার কাছে টাকা নেই।

নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, ইউনিয়নের পক্ষ থেকে জেলা প্রশাসক, শিল্প পুলিশ, বিকেএমইএ, শ্রম দপ্তর, কলকারখানা পরিদর্শনে লিখিতভাবে অভিযোগ জানালেও তারা কেউ সমস্যার সমাধান করেনি। বিভাগীয় শ্রম দপ্তর ত্রিপক্ষীয় সভা করে ৩১ আগস্টের মধ্যে পাওনা পরিশোধের নির্দেশ দিলেও মালিক পাওনা পরিশোধ করেনি। সেঞ্চুরির শ্রমিকদের এই সংকটের জন্য কারখানা মালিক, ক্রেতা ফকির অ্যাপারেলস, প্রিমিয়াম ব্যাংক সকলকে দায় নিতে হবে।

নেতৃবৃন্দ বলেন, সেঞ্চুরি গার্মেন্টসের শ্রমিকরা ২ মাসেরও বেশি সময় ধরে কাজ হারিয়ে দিশেহারা অবস্থায় পড়েছে। ইতিমধ্যে বাড়িঅলা অনেককে বাড়ি থেকে বের করে দিয়েছে। বাকির দোকানদার পাওনার জন্য শ্রমিকদের অকথ্য গালিগালাজ করছে। শ্রমিকরা অনাহারে-অর্ধাহারে মানবেতর জীবনযাপন করছে। অতি দ্রুত শ্রমিকের পাওনা পরিশোধ না করলে শ্রমিকরা কঠোর-কঠিন কর্মসূচি পালনে বাধ্য হবে।