ফতুল্লার শিবু মার্কেট এলাকার যুবদল নেতা রুবেল হোসেনের বিরুদ্ধে অস্ত্র প্রদর্শন সহ মোঃ জুলহাস (৪২) নামের ব্যক্তিকে মারধর সহ হত্যার চেস্টার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
রোববার সন্ধ্যা ৬ টায় ফতুল্লার শিবু মার্কেট এলাকায় রানী মা প্লাজার নিচতলাস্থ নিজ অফিসে ডেকে নিয়ে ভুক্তভোগীকে মারধর সহ হত্যার চেস্টা করা হয় বলে জানা যায়।
এঘটনায় ভুক্তভোগী মো. জুলহাস বাদী হয়ে রুবেল হোসেন, জাহাঙ্গীর, সুমন, মাসুদ ওরফে টুন্ডা মাসুদ এবং শান্তর নাম উল্লেখ সহ অজ্ঞাত নামা আরো ৫/৬ জনের নাম উল্লেখ করে ফতুল্লা মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে।
বাদীর লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে জানা যায়, সে স্বপরিবারে সস্তাপুর আনোয়ারের বাসায় ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করে আসছিলো। সে পেশায় একজন সিএনজি চালক। ৫/৬ মাস পূর্বে তার পূর্ব পরিচিত জাহাঙ্গীর নামের অপর সিএনজি চালককে ১০ হাজার টাকা ধার দেয়। সেই পাওনা টাকা নির্ধারিত সময়ে ফেরত না দিয়ে নানা তালবাহানা করে।
দুই দিন পূ্র্বে শুক্রবার বিকেল ৫ টায় জাহাঙ্গীরের সাথে শিবু মার্কেট বাস স্ট্যান্ড এলাকায় দেখে সে তার পাওনা টাকা ফেরত চাইলে তা দিতে অস্বীকারের পাশাপাশি তাকে চড় থাপ্পড় মারে এবং তাকে এলাকায় থাকতে দিবেনা বলে হুমকি প্রদান করে।
রোববার সন্ধ্যা ছয়টার টার দিকে বাদীর জাহাঙ্গীর সহ কয়েকজন তার ভাড়া বাসায় গিয়ে অভিযুক্ত শান্ত ও টুন্ডা মাসুদ জানায় যে জাহাঙ্গীর তার পাওনা টাকা ফেরত দিবে। এবং তাদের সাথে তাকে যেতে বলে। সে যেতে না চাইলে তাকে জোরপূর্বক টেনে হিচড়ে শিবুমার্কেস্থ রানী মা প্লাজার নিচ তলায় রুবেলের অফিসে নিয়ে যায়।
পরবর্তীতে অফিসটিতে তাকে আটক করে বেদম মারধর রুবেল হোসেন তার হাতে থাকা আগ্নেয়াস্ত্র দেখিয়ে হুমকি দেয় যে পুনরায় টাকা চাইলে গুলি করে তাকে হত্যার পর লাশ গুম করা কথা বলে। এক পর্যায়ে তাকে বেদম মারধর সহ গলাটিপে শ্বাসরোধ করে হত্যার চেষ্টা করে। আর কোনদিন টাকার দাবী করবেনা বললে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
পরে সেখান থেকে বের হয়ে তিনি স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় শহরের খানপুর ৩০০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতাল নারায়ণগঞ্জ গিয়ে চিকিৎসা গ্রহণ করে।





































আপনার মতামত লিখুন :