বন্দরে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে জুম্মান স্টোর দোকানপাট ভাংচুর ও লুটপাট করেছে প্রতিপক্ষ মেরাজ গং।
ওই সময় হামলাকারিরা দেশীয় অস্ত্রসস্ত্রে সজ্জিত হয়ে দোকানে অনাধিকার প্রবেশ করে ভাংচুর চালায়। পরে তারা এলাকায় আতংক সৃষ্টি করে জোর পূর্বক ক্যাশবাক্স থেকে নগদ ৫৫ হাজার টাকা ও দোকানের মালামাল বিক্রির আরো নগদ ৭ হাজার টাকাসহ সর্বমোট ৬২ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয়। হামলাকারিদের বাধা দিতে গিয়ে স্থানীয় জনতা ও দোকানীসহ ৫ জন আহত হয়।
আহতরা হলো বন্দর উপজেলার কলাগাছিয়া ইউনিয়নের চুনাভূরা এলাকার দোকানী মনির হোসেন (৫৩), তার ছেলে জুম্মান (২৬), স্থানীয় এলাকাবাসী মধ্যে একই এলাকার মৃত নুরুল আমিন মিয়ার ছেলে নুরুল ইসলাম (৫১), একই এলাকার মৃত জাহিল হকের ছেলে নাদির (৫৫) ও মৃত রাইসুল হকের ছেলে আশা (৬০)।
আগতদের মধ্যে জুম্মানকে রক্তাক্ত জখম অবস্থায় উদ্ধার করে বন্দর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রেরণ করেছে।
বাকী আহতদের স্থানীয় এলাকায় প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করা হয়েছে। রোববার (৪ অক্টোবর) রাত সাড়ে ৭টায় বন্দর উপজেলার কলাগাছিয়া ইউনিয়নের চুনাভূরা হোসাইনিয়া মাদ্রাসা মার্কেটে এ সন্ত্রাসী হামলার ঘটনাটি ঘটে। দোকান ভাংচুরের খবর পেয়ে মদনগঞ্জ ফাঁড়ি পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।






































আপনার মতামত লিখুন :