নারায়ণগঞ্জ শহরের আমলাপাড়া আদর্শ শিশু প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচনে প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ উঠেছে। এই নির্বাচনকে সুষ্ঠু প্রক্রিয়ায় অনুষ্ঠিত হতে না দিয়ে সমাঝোতার মাধ্যমে ম্যানেজিং কমিটি গঠন করার চেষ্টা করে আসছে একটি পক্ষ- এমনই অভিযোগ করছেন অভিভাবকরা।
জানা যায়, আমি আমলাপাড়া আদর্শ শিশু প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আমি মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছিলাম। মঙ্গলবার (৯ জুন) ছিলো মনোনয়ন জমা দেয়ার শেষ দিন। এর আগে গত ২ জুন চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করার কথা ছিলো। কিন্তু সেদিন ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হয়নি।
এ বিষয়ে একজন অভিভাবক অভিযোগ করে বলেন, আমি মো. শফি উদ্দিন ও আমার স্ত্রী ফাহমিদা আক্তার নির্বাচনের প্রজ্ঞাপনের তারিখ অনুযায়ী গত ৬ জুন মনোনয়ন পত্র সংগ্রহ করি। সেই সাথে সকল নিয়মকানুন মেনেই মঙ্গলবার নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই বিদ্যালয়ের অফিস কক্ষে মনোনয়ন ফরম জমা দিতে যাই।
তিনি আরও বলেন, আমরা এসময় আমরা মজিবুর রহমান এবং শাহজাহানকে দেখতে পাই। মনোনয়ন জমা দিতে গেলে মজিবুর রহমান বলে মনোনয়ন জমা দিও না। তিনি একজন রাজনৈতিক শীর্ষ পদে থাকা নেতার নাম নিয়ে বলেন তিনি জমা দিতে না করেছে। তখন আমি বলি মনোনয়ন জমা দেই পরবর্তীতে আলোচনার প্রয়োজন হলে আলোচনা করা যাবে।
হুমকি দেয়ার অভিযোগ করে মো. শফি উদ্দিন বলেন, এই মনোনয়ন জমা দিতে গিয়ে আমাকে হুমকি ধমকির শিকার হতে হয়েছে। আমার একভাইয়ের স্কুলের শিক্ষকতা করা নিয়েও হুমকি দিয়েছে। তবে শেষ পর্যন্ত প্রধান শিক্ষক বলেন মনোনয়ন জমা দেন। সেই সাথে আমরা মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছি।
তিনি বলেন, আমরা নির্বাচন নিয়ে শঙ্কায় আছি। শুধু আমার নির্বাচন নয় আমি নিজেকে নিয়েও শঙ্কায় আছি। আমরা একটা সুষ্ঠু নির্বাচন চাই। অভিভাবকরা যাকে ইচ্ছা তাকেই ভোট দিবেন। অভিভাবকরা যাকে ভোট দিবেন তিনিই নির্বাচিত হবেন এবং ম্যানেজিং কমিটিতে থাকবেন। এতে আমাদের কোনো আপত্তি নেই। কিন্তু আমরা একটা নির্বাচন চাই।
তবে এ বিষয়ে মো. মজিবুর রহমান বলেন, অনেকেই অনেক কথা বলে থাকে; কিন্তু আমি কাউকে হুমকি ধমকি দেইনি। আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করা হচ্ছে। যারা এই অভিযোগ করছেন তারা মনোনয়ন জমা দিয়ে আসছেন। আমি যদি হুমকি দিতাম কিংবা বাধা দেয়ার চেষ্টা করতাম তাহলে তো মনোনয়ন জমা দিতে পারতেন না।



































-20260603135648.jpg)
আপনার মতামত লিখুন :