News Narayanganj
Bongosoft Ltd.
ঢাকা বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩

অস্ত্র অর্থের জোগানদাতার খোঁজে ডিবি


দ্যা নিউজ নারায়ণগঞ্জ ডটকম | স্টাফ রিপোর্টার প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর ৮, ২০২৬, ১০:৪৩ পিএম অস্ত্র অর্থের জোগানদাতার খোঁজে ডিবি

মো. সুমন ওরফে মাইগ্যা সুমন স্থায়ী ঠিকানা শহরের আমলাপাড়া (মাদ্রাসাপাড়া) এলাকায় হলেও তিনি বন্দর খানবাড়ি মোড়ে ভাড়া থাকেন। কোন কাজ না করে মাদক ব্যবসা করে শহর ও বন্দরে চারটি বাড়ি মালিক বনেছেন। চাষাঢ়া হকার্স মার্কেটে ছুরিকাঘাতে ও গুলি করে শুভ দাস হত্যাকান্ড ঘটে। সেই ঘটনা অর্থদাতা হিসেবে তদন্তে উঠে এসেছে মাইগ্যা সুমনের নাম।

মাদ্রাসাপাড়ার কালু মিয়া ছেলে মাইগ্যা সুমন ও সুজন। দুইজনই আমলাপাড়া মাদক ব্যবসায়ী কুখ্যাত। অনুসারী ভাই ভাতিজা দিয়ে পুরো এলাকা মাদক সয়লাব করে রাখে মাইগ্যা সুমন। এদিকে আমলাপাড়ায় সুমনের মাদক ব্যবসা ও হত্যাকান্ডের শেল্টারদাতা সন্ধানে কাজ করছে ডিবি টিম। রাজনীতি পরিচয় না থাকলেও বর্তমানে মাদক ব্যবসা আড়ালে গুলি করে হত্যা রহস্য জট খুলতে চান তদন্তকারী টিম।

৪ সেপ্টেম্বর গভীর রাতে শুভ দাসকে ডেকে এনে হত্যা করা হয়। সিসিটিভি ফুটেজের মাধ্যমে প্রথমে সিজানকে আটক করলে হত্যা জট খুলতে থাকে। মো. সুমন ওরফে মাইগ্যা সুমনকে তার বাড়ি আমলপাড়া থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার তথ্য অনুযায়ী শুভকে ডেকে আনা সোহানকে গ্রেপ্তার করে ডিবি। গ্রেপ্তারের সময় তাদের কাছ থেকে একটি মোটরসাইকেল ও তিনটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।

একাধিক সূত্রে জানা গেছে, আমলাপাড়ায় সুমন, অনিক ও অহিদের সাথে মাদক ব্যবসা রহস্য জেনে গিয়েছিলো গলাচিপা মাদক ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচিতি নিহত শুভ দাস। তাদের ব্যবসায় কোন দ্বন্দ্বের জের ধরে শুভ হত্যা পরিকল্পনা করা হয়। হত্যাকান্ডে ছুরি ও দুইটি পিস্তল ব্যবহার করা হয়েছে, সেগুলো খুজেঁ ডিবি একাধিক টিম।

নিহত শুভ দাসের মরদেহে ১০০ পিস ইয়াবা ও ৫টি গুলি খোসা উদ্ধার করেছিলো পুলিশের তদন্তকারী টিম। একই সাথে দেহে একাধিক ছুরিকাঘাতে করা হয়েছে মারা যাবার আগে। এদিকে শুভ হত্যাকান্ডে কয়টি অস্ত্র ছিলো ও অস্ত্রের জোগানদাতা কারা এই নিয়ে তদন্তে নেমেছে। নিহত শুভ দাসের বিরুদ্ধে ৪/৫টি মাদক আইনের মামলা রয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গ্রেপ্তারকৃত তিনজনের কাছে হত্যাকান্ডে চাঞ্চল্যকর তথ্য পেয়েছে। সেগুলো যাচাই বাছাই করে তদন্তে অগ্রগতি নেয়া হচ্ছে। শুভ দাসের মরদেহে ইয়াবা ও ৫টি গুলি খোসা পাওয়া গেছে। গুলি খোসা দিকে একটি না দুইটি অস্ত্রের সেগুলো তদন্ত হচ্ছে। শুভ দাসকে গুলি করেছিলো অনিক ও অহিদ, তারা দুইজনই একটি অস্ত্র দিয়ে গুলি করেছে এমন প্রশ্ন উঠে এসেছে। কেনো মরদেহে প্যান্টে ১০০ পিস ইয়াবা রাখা হয়েছিলো।