নেতা ছাড়া কর্মী ও সাধারণ মানুষের কোন ধরনের সাপোর্ট পাচ্ছেন না জমিয়ত নেতা মনির হোসাইন কাসেমী। সে কারণে এবার তিনি বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতাদের ধরে প্রতিদ্বন্দ্বি তিনজনকে নির্বাচনের মাঠে দূরে রাখার আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। স্থানীয় নেতাদেরকেও হাতে পারে ধরে ওই তিন নেতাকে ম্যানেজের চেষ্টা করছেন।
বিএনপির একাধিক নেতা জানান, ২০১৮ সালের নির্বাচনে ধানের শীষ নিয়ে লড়েছিলেন কাসেমী। এবার তিনি লড়ছেন খেজুর গাছ নিয়ে। কিন্তু তার পরেও স্বস্তিতে নেই। কারণ ভোটাররা এ প্রতীক চিনে না। আর বিএনপির নেতারাও আছেন বেশ দ্বন্দ্বে। কারণ ২০১৮ নির্বাচনের পর আর দেখা মিলেনি কাসেমীর। এবারও চূড়ান্ত মনোনয়নের পর কাসেমী বিএনপি নেতাদের বাড়ি বাড়ি যাওয়া শুরু করেন। অথচ ৮ বছর তার দেখা মিলেনি কোথাও। এসব কারণে নেতা ও কর্মীরা চরমভাবে ক্ষুব্ধ।
বিএনপি নেতাদের অভিযোগ, এখনো কাসেমীর পাশে শামীম ওসমানের অনুসারীরা ঘুরছেন। তারাই মূল সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন। শামীম ওসমানের গুপ্তচর খ্যাত ফেরদাউস কখনো কখনো বিএনপি নেতাদের কটাক্ষ আবার হুংকার দিচ্ছেন। এগুলোকে ভালোভাবে নিতে পারছে না কেউ।
জমিয়ত নেতাও নিজের প্রতীক নিয়ে চিন্তিত। সে কারণেই তিনজনকে নিয়ে বেশ চিন্তিত। রিপাবলিকান পার্টির নেতা সাবেক এমপি মোহাম্মদ আলীকে নির্বাচন থেকে বসানোর প্রাণান্তর চেষ্টা করে যাচ্ছেন। নানা জনকে দিয়ে তিনি তদবির চালাচ্ছেন। কারণ মোহাম্মদ আলী ফতুল্লাতে বড় ফ্যাক্টর। দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে স্বতন্ত্রভাবে কয়েকজন নির্বাচন করার প্রস্তুতি নিতে থাকেন। সেই সাথে সাবেক এমপি ও জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও বর্তমান আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মুহাম্মদ গিয়াসউদ্দিন ও বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য মোহাম্মদ শাহআলম মনোনয়ন পত্র সংগ্রহ করেন এবং জমাও দেন। তাঁরা নির্বাচন করতে চান। যদিও এ দুইজনকে বহিস্কার করা হয়েছে। কিন্তু তার পরেও এ দুইজনকে নির্বাচন থেকে দূরে রাখার চেষ্টা করে যাচ্ছেন কাসেমী।

































আপনার মতামত লিখুন :