News Narayanganj
Bongosoft Ltd.
ঢাকা বুধবার, ২১ জানুয়ারি, ২০২৬, ৮ মাঘ ১৪৩২

নারী ইউপি সদস্যকে লাশ গুমের হুমকি বৈষম্যবিরোধী মামলার আসামীর


দ্যা নিউজ নারায়ণগঞ্জ ডটকম | স্টাফ রিপোর্টার প্রকাশিত: জানুয়ারি ২১, ২০২৬, ০৭:৩৯ পিএম নারী ইউপি সদস্যকে লাশ গুমের হুমকি বৈষম্যবিরোধী মামলার আসামীর

 বক্তাবলী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান রশিদ আহমেদের বিরুদ্ধে হুমকির অভিযোগ তুলেছেন একই ইউনিয়নের ওয়ার্ড সদস্য হাসনা ভানু। ওই ঘটনায় ২০ জানুয়ারী তিনি ফতুল্লা মডেল থানায় জিডি করেছেন।
বক্তাবলীর ৭,৮ ও ৯নং ওয়ার্ড সদস্য হাসনা ভানু অভিযোগ করেন, রশিদ আহামেদ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র জনতার উপর হামলার খুনের মামলার আসামী। গত বছর তাকে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দায়িত্ব দেওয়া হয়। ওই সময়কার তার দায়িত্বকালীন স্বেচ্ছাচারিতা ও অনিয়মের অভিযোগে জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে অভিযোগ দেন কয়েকজন ইউপি সদস্য। তাদের মধ্যে হাসনা ভানু ছিলেন। এর মধ্যে রশিদ সে গ্রেপ্তার হয়েছেন। গত বছরের ২৪ ডিসেম্বর মুক্তি পেয়ে বিভিন্নজনকে হুমকি দেওয়া শুরু করেছেন। গত ১৫ জানুয়ারী দুপুর ২টায় নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা কার্যালয়ে বক্তাবলী ইউনিয়ন পরিষদের দায়িত্বরত প্রশাসকের দপ্তরে হাসনা ভানুকে হুমকি দেওয়া হয়। রশিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রত্যাহার না করলে হত্যা করে লাশ গুমের হুমকি সহ ক্ষতি সাধনের হুমকি দেয়।
প্রসঙ্গত রশিদের বিরুদ্ধে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের চারটি মামলা রয়েছে। এছাড়াও চাঁদাবাজি, হত্যাসহ ১৬ মামলার আসামী। একাধিকবার গ্রেপ্তার হয়ে কারাভোগ করেছেন।
২০২৫ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার দুপুরে তাকে বক্তাবলী কার্যালয় (ইউনিয়ন পরিষধ) থেকে গ্রেফতার করে।
ওই সময়ে পুলিশ জানান, রশিদের বিরুদ্ধে বৈষম্য বিরোধী চারটি মামলা রয়েছে। এসব মামলায় তিনি জামিন নেননি। তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাকে ফতুল্লা থানায় দায়ের করা ইয়াসিন হত্যা মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে প্রেরণ করা হয়।
এর আগে ২০২৪ সালের ২১ অক্টোবর চট্টগ্রামের সীতাকুন্ড থানার ফৌজদারহাট বাইপাস মোড় এলাকায় র্যাব-১১ ও র্যাব-৭ যৌথ অভিযানে রশদি মেম্বারকে আটক করা হয়।
হাসিনা সরকারের আমলে ফতুল্লা থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক এর লোক পরিচয়ে নানা অপকর্ম করে বেড়িয়েছে। ওই সময় সরকারি দলের নেতাদের সাথে আতাত করে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছিল। হাসিনা সরকারের পতনের পর শওকত আলী চেয়ারম্যান এর ব্যবসা প্রতিষ্ঠান দখল, সাইফউল্লাহ বাদলের মার্কেট দখল, সাইদুরের মাছের খামার, বক্তাবলী ফেরি ঘাট সহ পূর্ব গোপালনগর এলাকায় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের বাড়িতে লুটপাট সহ গরু সহ নিয়ে যায়। অনেকের দোকান পাট বন্ধ করে দেয়। এছাড়াও বক্তাবলী ইটভাটার মালিকদের কাছ থেকে চাঁদাবাজি সহ ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছিল।