সব ঠিক ঠাক থাকলে পবিত্র ঈদ উল ফিতরের পর জামিন আবেদন করা হবে কারাগারে বন্দি নাসিকের সাবেক মেয়র ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভীর। তিনি ইতোমধ্যে নিজ বলয়ে নেতাকর্মী ও সমর্থকদের কাছে আসন্ন নাসিকের নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী হওয়ার বার্তা পৌছে দিয়েছেন। ১১টি মামলা আসামী হয়ে কারাগারে থাকলেও বেশিভাগ মামলা হাইকোর্ট থেকে জামিন ইতোমধ্যে পেয়েছেন।
২০২৪ এর ৫ আগস্ট সরকার পতনের পর ১৫ আগস্ট শহরের দুই নং রেল গেট এলাকাতে আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়ে আলোচনায় আসেন আইভী। ১৯ আগস্ট আইভীকে নাসিক মেয়র পদ থেকে অপসারণ করা হয়। এরপর থেকে তিনি দেওভোগে বাবার পৈতৃক ভিটা চুনকা কুটিতে অবস্থান করেন। সেখানে প্রতিদিন দলীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকদের আনাগোনা ছিল। এ নিয়ে বিএনপির কেন্দ্রীয় ঢাকা বিভাগীয় সহ সাংগঠনিক সম্পাদক নজরুল ইসলাম আজাদ, মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব আবু আল ইউসুফ খান টিপু সহ অনেকেই জেলা প্রশাসনের একাধিক সভায় কঠোর সমালোচনা করে আইভীর গ্রেপ্তার দাবী করেন। ততদিনে আইভীর বিরুদ্ধে একাধিক মামলাও হয়।
২০২৫ এর মে মাস শুরুতে হঠাৎ চিকিৎসা জন্য দেশ ছাড়েন সাবেক রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদ। তার দেশত্যাগে পুরো চাপে পড়েন আওয়ামী লীগের অনেকেই। ৯ মে রাতেই আইভীকে গ্রেপ্তার করার জন্য পুলিশ বাড়ির চারিদিক ঘিরে রাখেন। এর পরদিন ভোরে পুলিশের কাছে গ্রেপ্তার হয়ে কারাগার বরণ করেন। তিনি যাবার আগে আবারো দেখা হবে বলে বার্তা দিয়ে যান।
এদিকে বিএনপি সরকার গঠনের পর সিটি কর্পোরেশনগুলোতে দলীয় নেতাদের প্রশাসক নিয়োগ দেন। যার কারণে দ্রুত সময়ে নির্বাচন আভাস সৃষ্টি করেন ইসি।
আইভী কারাগারে থাকলেও বিএনপির রাজনীতি করেন এমন একজন তাঁর মাঠ গোছানোর দায়িত্ব নিয়েছেন। আইভী সমর্থকদের সঙ্গে তিনি নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা করছেন। মাঠ গুছিয়ে আগামীতে তিনি আইভীর পক্ষে পরোক্ষভাবে কাজ করবেন। ওই নেতার বিভিন্ন কর্মসূচীতে এবার আইভীর অনুসারীদেরও দেখা মিলছে। এসব দিক বিবেচনায় আইভী আগামীতে আবারো সিটি করপোরেশনে লড়বেন মনে করছেন অনুসারীরা।


































আপনার মতামত লিখুন :