বন্দরে ধর্ষণের বিচার চাওয়ার অপরাধে এক গৃহপরিচারিকার চুল কেটে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে বাড়িওয়ালা ও তার স্ত্রী বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার ২৩ এপ্রিল ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে বন্দর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন তিনি। এর আগে গত শুক্রবার ১৭ এপ্রিল বেলা ১১টায় বন্দর উপজেলার মদনপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
বিভিন্ন তথ্য সূত্রে জানা গেছে, গত ৩ বছর ধরে বন্দর উপজেলার মদনপুর এলাকায় মো.বাবুল মিয়ার বাড়িতে ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করে আসছে ভুক্তভোগী নারী।
আর্থিক অভাব অনটনের কারণে ভুক্তভোগী নারী বাড়িওয়ালার বাসার পাশাপাশি বিভিন্ন বাসাবাড়িতে গৃহপরিচারিকা কাজ করতো। এর ধারাবাহিকতা গত শুক্রবার সকালে বাড়িওয়ালা বাবুল মিয়া উল্লেখিত গৃহপরিচারিকাকে ফোন করে তাড়াতাড়ি কাজে যেতে বলেন। গৃহপরিচারিকা বাসায় গিয়ে দেখে বাড়িওয়ালা বাবুল মিয়া একা আছেন। আর কেউ বাসায় নেই। তখন ভুক্তভোগী রান্নাঘরে গিয়ে কাজ করতে থাকেন। একপর্যায়ে বাবুল মিয়া তাকে ডেকে রুমের ভেতর নিয়ে যায় এবং জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। এ ঘটনা কাউকে জানালে তাকে জীবনে মেরে ফেলার ভয় দেখায় বাবুল।
পরবর্তীতে এ ঘটনা ধর্ষক বাবুলের স্ত্রী রোজিনা কে জানিয়ে বিচার দাবি করলে ওই সময় ধর্ষক বাড়িওয়ালা ও তার স্ত্রী রোজিনা বেগম মিলে ধর্ষিতা নারীকে বেদম ভাবে পিটিয়ে মাথার চুল কেটে দেয়। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নারী থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করলে পুলিশ অভিযোগ পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।
বন্দর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) গোলাম মুক্তার আশরাফ উদ্দিন জানান, অভিযোগ পেয়ে ধামগড় ফাঁড়ি পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। অভিযোগটি তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।




































আপনার মতামত লিখুন :