মূল্য বৃদ্ধির পরে নারায়ণগঞ্জের ৪টি ডিপো থেকে জ্বালানি তেল সরবরাহ বেড়েছে। সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ৪টি ডিপো থেকেই আগের তুলনায় বেশি পরিমাণে তেল সরবরাহ করা হচ্ছে।
তবে এখনো বিপিসির তালিকা অনুযায়ী রেশনিং পদ্ধতিতেই চলছে ডিপো থেকে তেল সরবরাহের কার্যক্রম।
প্রতিদিন সকাল ৭ টা থেকে বিকেল ৩ টা পর্যন্ত ডিপো থেকে তেল বিক্রি চলছে। ডিপোগুলোর নিরাপত্তায় সেনাবাহিনী, পুলিশ ও আনসার সদস্য মোতায়েন রয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সিদ্ধিরগঞ্জের গোদনাইল পদ্মা ডিপো থেকে পূর্বে অকটেন ২ লক্ষাধিক লিটার সরবরাহ করা হলে মূল্য বৃদ্ধির পর থেকে ৩ লক্ষাধিক লিটার সরবরাহ করা হয়েছে। পেট্রোল পূর্বে ৪০ থেকে ৫০ হাজার লিটার সরবরাহ করা হলেও মূল্য বৃদ্ধির পর থেকে লক্ষাধিক লিটার সরবরাহ করা হচ্ছে।
পূর্বে ডিজেল ১১ থেকে ১২ লাখ লিটার সরবরাহ করা হলেও মূল্য বৃদ্ধির পর থেকে সাড়ে ১২ লক্ষাধিক লিটার সরবরাহ করা হচ্ছে। একইভাবে গোদনাইলের মেঘনা ডিপো থেকে পূর্বে অকটেন লক্ষাধিক লিটার সরবরাহ করা হলে বর্তমানে থেকে ১ লাখ ২৮ হাজার লিটার সরবরাহ করা হয়েছে। পেট্রোল পূর্বে ৪০ থেকে ৫০ হাজার লিটার সরবরাহ করা হলেও বর্তমানে ৫৭ হাজার বা তার বেশি লিটার সরবরাহ করা হচ্ছে। একইভাবে পূর্ব ডিজেল ১০ লাখ লিটার সরবরাহ করা হলেও রোববার থেকে প্রায় সাড়ে ১১ লাখ লিটার সরবরাহ করা হচ্ছে।
ফতুল্লার যমুনা ডিপো থেকে পূর্বে অকটেন লক্ষাধিক লিটার সরবরাহ করা হলে বর্তমানে থেকে ১ লাখ ৪৭ হাজার লিটার সরবরাহ করা হয়েছে। পেট্রোল পূর্বে ৩০ থেকে ৪০ হাজার লিটার সরবরাহ করা হলেও রোববার থেকে ৫০ হাজারের বেশি লিটার সরবরাহ করা হচ্ছে। একইভাবে পূর্ব ডিজেল ৫ থেকে ৬ লাখ লিটার সরবরাহ করা হলেও বর্তমানে ৮ লক্ষাধিক লিটার সরবরাহ করা হচ্ছে। একইভাবে ফতুল্লার মেঘনা ডিপো থেকে পূর্বে অকটেন অর্ধ লক্ষাধিক লিটার সরবরাহ করা হলে মূল্য বৃদ্ধির পর থেকে লক্ষাধিক লিটার সরবরাহ করা হয়েছে। পেট্রোল পূর্বে ১৫ থেকে ২০ হাজার লিটার সরবরাহ করা হলেও মূল্য বৃদ্ধির পর থেকে ২৫ হাজার বা তার বেশি লিটার সরবরাহ করা হচ্ছে। একইভাবে পূর্ব ডিজেল ৩ থেকে ৪ লাখ লিটার সরবরাহ করা হলেও বর্তমানে ৭ লক্ষাধিক লিটার সরবরাহ করা হচ্ছে।
ফিলিং স্টেশন ও শিল্পকারখানার প্রতিনিধিরা বলেন, সরকার জ্বালানী তেলের দাম বাড়ানোর পরে সরবরাহ কিছুটা বেড়েছে। তবে সরকার দাম বাড়ালেও এখনো আগের মতোই বিপিসির তালিকা অনুযায়ী রেশনিং পদ্ধতিতে তেল দেয়া হচ্ছে। চাহিদা বৃদ্ধির কারণে ফিলিং স্টেশনে লম্বা লাইনের সৃষ্টি হচ্ছে। শিল্প কারখানার উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। কোটা বা রেশনিং পদ্ধতি বাতিল করে তেল সরবরাহ স্বাভাবিক করার দাবি জানিয়েছেন তারা।








































আপনার মতামত লিখুন :