News Narayanganj
Bongosoft Ltd.
ঢাকা বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৬, ৯ বৈশাখ ১৪৩৩

ভিয়েতনাম হয়ে কম্বোডিয়াতে বন্দরের যুবক : থানায় পাল্টাপাল্টি অভিযোগ


দ্যা নিউজ নারায়ণগঞ্জ ডটকম | বন্দর প্রতিনিধি প্রকাশিত: এপ্রিল ২২, ২০২৬, ০৮:৪১ পিএম ভিয়েতনাম হয়ে কম্বোডিয়াতে বন্দরের যুবক : থানায় পাল্টাপাল্টি অভিযোগ
বা থেকে নিঝুম, রুবেল ও আনোয়ার।

বন্দরে এক যুবককে ভিয়েতনাম পাঠানোর ঘটনায় পাল্টাপাল্টি অভিযোগ হয়েছে থানা। বিদেশে থাকা যুবকের পরিবারের অভিযোগ লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়ে প্রবাসে শ্রমিকদের জিম্মি করে রেখেছেসামসুল আরেফিন নিঝুম। তবে নিঝুমের দাবী যে ব্যক্তিকে বিদেশ পাঠানো নিয়ে বিরোধের জের ধরে পরিবারের লোকজন হুমকি প্রদর্শন ছাড়াও মারধর করেছে। তাঁরাও থানায় জিডি করেছেন।

সামসুল আরেফিন নিঝুম গত ৬ মার্চ বন্দর থানায় জিডিতে উল্লেখ করেন, তার ছোট ভাই তানভীর আলম প্লাবনের মাধ্যমে রুবেল ভিয়েতনাম যায়। এ নিয়ে একটি বিরোধ রয়েছে। ওই বিরোধের জের ধরে গত ৫ মার্চ রুবেলের ভাই আনোয়ার, মেসকাত সহ অজ্ঞাত ২জন এসে নিঝুমকে মারধর করে।

অপরদিকে আনোয়ার হোসেনও থানায় অভিযোগ দিয়েছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বন্দর এলাকার মো: আনোয়ার হোসেন তার ছোট ভাই মো: রুবেলকে (২৬) ভিয়েতনাম পাঠানোর জন্য বিবাদী মো: সামসুল আরেফিন নিঝুম সাথে ৩ লক্ষ ৭০ হাজার টাকার চুক্তি করেন। চুক্তি অনুযায়ী ২০২৪ সালের ১ জুলাই উক্ত টাকা প্রদান করা হয়। বিবাদী প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন যে, রুবেলকে ওয়ার্ক পারমিটসহ যাবতীয় বৈধ কাগজপত্র এবং মাসিক ৫০ হাজার টাকা বেতনের কাজ পাইয়ে দেবেন।

এ ব্যাপারে ভুক্তভোগীর ভাই অভিযোগ করেন, রুবেলকে ভিয়েতনাম নেওয়ার পর তাকে কোনো কাজ দেওয়া হয়নি। উল্টো পরবর্তীতে তাকে চোরাই পথে কম্বোডিয়া নিয়ে যাওয়া হয় এবং তার পাসপোর্টসহ সকল জরুরি কাগজপত্র ছিনিয়ে নেওয়া হয়। ৯ মাস আগে রুবেল বাড়ি টাকা পাঠাতে চাইলে বিবাদী নিঝুম তাকে বাধ্য করেন তার (নিঝুমের) ভাই মো: প্লাবনের হাতে কম্বোডিয়ায় ৪৬ হাজার টাকা জমা দিতে। প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল যে, সেই টাকা বাংলাদেশে আনোয়ার হোসেনের পরিবারকে বুঝিয়ে দেওয়া হবে। কিন্তু টাকা বুঝে পাওয়ার পর বিবাদী পক্ষ টাকা দিতে অস্বীকার করে এবং রুবেলের পাসপোর্ট ফেরত দেয়নি।

ভুক্তভোগী আনোয়ার হোসেন জানান, গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে পাওনা টাকা ফেরত চাইলে বিবাদী তাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও প্রাণনাশের হুমকি দেয়। বর্তমানে রুবেল কম্বোডিয়ায় কোনো বৈধ কাগজপত্র না থাকায় পুলিশের ভয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন এবং অত্যন্ত কষ্টে জীবন যাপন করছেন।